তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছলে যেসব ক্ষতি হয়

মুখ পরিষ্কারের জন্য সাবান বা ফেসওয়াশ দরকার হয় আমাদের। কিন্তু মুখ ধোয়ার পরে আমরা প্রত্যেকেই একটা বড় ভুল করে ফেলি। সেটি হলো গামছা বা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নেয়া। মুখ মোছার কাজে তোয়ালে বা গামছা ব্যবহারের অভ্যাস যদি আপনার থেকে থাকে, তাহলে ওখানেই আপনার মুখ ধোয়ার যাবতীয় সুফল শেষ হয়ে গেল!

তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছলে যেসব ক্ষতি হয়

মুখ ধোয়ার পরে তোয়ালে দিয়ে মুখ মোছা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তা থেকে কীভাবে সমস্যা হতে পারে? ভেজা মুখ থাকলে ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম ত্বকের (skin) অনেক বেশি গভীরে ঢুকতে পারে। কিন্তু তোয়ালে দিয়ে শুকিয়ে নিলে ত্বকের (skin)  ভেজাভাব আর থাকে না বলে ময়েশ্চারাইজার ত্বকের ভিতরে ততটা আর ঢুকতে পারে না।

তোয়ালে বলুন বা গামছা, তাতে সারাদিন ধরে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধ্য! তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছলে সেই ব্যাকটেরিয়া ত্বকের (skin)  সংস্পর্শে এসে রোমছিদ্র বন্ধ করে দিতে পারে, যার অবশ্যম্ভাবী ফল ব্রণ এবং অন্যান্য সংক্রমণ। তাই যতই দামি ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন, যতই যত্ন করে ত্বক (skin)  পরিষ্কার করুন, তোয়ালে বা গামছা ব্যবহার করলে নিট ফল কিন্তু শূন্য!

আরো পড়ুন  সহজেই উজ্জ্বল ও দাগহীন কোমল ত্বক পেতে মুগ ডাল ফেসপ্যাক

মুখ ধোয়ার পর পানি ঝরানোর উপায়:

* মাথা ঝাঁকিয়ে বাড়তি পানি ঝেড়ে ফেলুন অথবা হাত দিয়ে সরিয়ে দিন।

* এবার হাত দিয়েই চেপে চেপে মুখটা একটু মুছে নিন।

* এরপর ভেজা মুখেই ময়েশ্চারাইজার মাখুন। মুখ বেশি শুকনো লাগলে অল্প ফেস মিস্ট স্প্রে করে নিতে পারেন।

ফর্সা হতে চান ?ফর্সা হওয়ার সহজ ১০ উপায় জেনে নিন

বংশগত কারণে আমাদের অনেকেরই গায়ের রং কালো হয়ে থাকে অথবা দিন যাপনের নানান আয়োজনেও আমাদের গায়ের রংটা ময়লা হয়ে যায়। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শারীরিক অসুস্থতা, দীর্ঘসময় রান্নাঘরে কাজ করা ইত্যাদি নানান কারণে ত্বক (skin)  হারিয়ে ফেলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। হয়ে যায় কালচে ও বিবর্ণ। রং ফর্সাকারী ক্রিমের কদর তাই কমে না কখনোই। এসব রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণে তৈরি প্রোডাক্টগুলো ত্বকের (skin)  নানা ক্ষতি করে থাকে। আসুন জেনে নিই প্রাকৃতিক কিছু উপায়ে কীভাবে গায়েব কালো রংকে উজ্জ্বল করা যায়, কীভাবে ফর্সা হওয়া যায়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক ফর্সা হওয়ার কিছু টিপস্:-

আরো পড়ুন  শীতকালে রাতে মাত্র ২ মিনিটে চেহারা বাচ্চাদের মতো মসৃণ ফর্সা করার উপায়

১.বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম একসাথে পেস্ট করে ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। বেসন ও লেবুর রস মুখের মৃত কোষ, কালোদাগ দুর করতে সহায়তা করে। কাজু বাদাম ত্বকের (skin)  আর্দ্রতা ধরে রাখে।

২.কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও ঘাড়ে ১৫ মিনিট রেখেদিন। তারপরে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক (skin)  মসৃন করতে কলার কোন জুড়ি নেই।

৩.মধুর ঔষধি গুনের কথা কে না জানে। ত্বক (skin)  উজ্জ্বল ও মসৃন করতেও মধু খুব কার্যকর। দই, মধু ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন। এতকিছু হাতের কাছে না থাকলে শুধু মধুই ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন আপনার ত্বক (skin)  আগের থেকে অনেক বেশী উজ্জ্বল হয়ে গেছে।

৪.আলু বা টমেটো শুধু ভাল সবজীই নয় বরং এক একটা রং ফসর্াকারী এজেন্ট। আলু এবং টমেটো পেস্ট প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন দ্যুতিময় ত্বক।

আরো পড়ুন  শিশুদের মত নরম, কোমল ও ফর্সা ত্বক পেতে রোজ রাতে একটি ছোট্ট কাজ করুন

৫.মসুরের ডাল, দুধ লেবুর রস এবং চালের গুড়া একসাথে পেস্ট করলেই হয়ে যাবে সুন্দর ও কার্যকরী স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন দিন ব্যাবহার করুন। আপনার ত্বক (skin) হবে আরো পরিষ্কার।

৬.ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তার পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক (skin)  উজ্জ্বল ও টান টান ভাব আনতে সাহায্য করবে এই ফরমুলা।

৭.এক চামচ চিনির সাথে দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে আলতো ভাবে মুখে ডলতে থাকুন যতক্ষন পর্যন্ত চিনি পুরোপুরি গলে না যায়। এমনকি পুরো শরীরেও লাগাতে পারেন।

৮.শিশুদের মত কোমল ও মসৃন ত্বক (skin) পেতে দুই চামচ চিনির মধ্যে তিন চামচ বেবী ওয়েল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

৯.মুখে ব্রনের দাগ থাকলে কর্ণফ্লাওয়ার এবং শসার মিশ্রন তৈরী করে প্রতিদিন মাখতে থাকুন। দ্রুত ভাল ফল পাবেন।

১০.পানি, সবুজ সবজী, ফলের রস, মাছ, ডিম রক্ত পরিষ্কার করে থাকে তাই এইগুলো পর্যাপ্ত পরিমানে খেতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *