মাত্র ১মাসে মেদ কমাবে ৪ টি শক্তিশালী উপাদান

আপনি কী আপনার বাড়তি ওজন কমানোর জন্য যুদ্ধ করছেন? তাহলে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন আপনি। আপনার ডায়েটে প্রোটিন যোগ করুন, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন, প্রচুর পানি (water) পান করুন, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমিয়ে দিন এবং গ্রিনটি পান করুন। এছাড়াও অনেক বেশি ফল ও সবজি গ্রহণ করা উচিৎ, তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন, ব্যায়াম করুন এবং পর্যাপ্ত সময় ঘুমান। এই টিপসগুলো অনুসরণ করার পাশাপাশি এমন ৪ টি পানীয় পান করুন যা চর্বি (fat) কমাতে সাহায্য করবে।

যদি প্রতিদিন এই পানীয় পান করতে পারেন তাহলে ১ মাসের মধ্যে আপনার ওজন কমে যাবে। চলুন তাহলে এই ৪ টি পানীয়ের কথা জেনে নিই এখন।

১। জিরা
১ বা আধা গ্লাস পানিতে (water) ৩ চা চামচ জিরা যোগ করে ৫ মিনিট কম তাপে ফুটিয়ে নিন। এর সাথে ২ চা চামচ মধু এবং অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন। জিরা ক্ষুধা দমন করে, লেবু ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে এবং ইমিউনিটিকে উদ্দীপ্ত করে। এছাড়াও লেবু ওজন কমতেও সাহায্য করে। মধু শক্তি ও ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে। ৩০ দিন এই পানীয়টি পান করলে ওজন কমতে সাহায্য করে।

২। কারিপাতা
১ মুঠো কারিপাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। প্রতিদিন খালিপেটে ৭-৮ টি কারিপাতা চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। এই পাতা আপনার শরীরের কোলেস্টেরল ও চর্বি (fat)  কমাতে সাহায্য করে। কারিপাতা খাওয়ার পর ১ কাপ উষ্ণ পানি (water)  পান করতে ভুলবেন না।

৩। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
১ কাপ উষ্ণ পানিতে (water) ১ টেবিলচামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং ১ চা চামচ মধু যোগ করুন। উপাদানগুলো ভালো করে মিশিয়ে নিন। ৩০ দিন দিনে ২ বার করে আপনাকে এটি পান করতে হবে। দুপুরের ও রাতের খাওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে এই পানীয়টি পান করুন। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার চর্বির (fat) কোষকে ভাঙতে সাহায্য করে, নির্দিষ্ট প্রোটিন হজমে সাহায্য করে এবং বিপাকের গতি বৃদ্ধি করে। এছাড়াও বিষাক্ত পদার্থ দূর করতেও সাহায্য করে এই পানীয়টি।

আরো পড়ুন  কুকচিতে চুলকানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও এর উত্তর

৪। ধনেপাতা
১ কাপ ধনেপাতা পিষে রস বের করে নিন। ১ কাপ উষ্ণ পানিতে (water) এই রস মিশিয়ে তার সাথে ৩ চা চামচ লেবুর রস মেশান। এই পানীয়টি সকালে পান করুন। ধনেপাতা এনজাইম ও পাচক রস নিঃসৃত হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি চিনির মাত্রা কমায় এবং খনিজ ও ভিটামিন সরবরাহ করে।

যেভাবে আপনার প্রিয় মানুষের মন জয় করবেন
দেখা যায় আপনি নতুন (new) কোন মানুষের সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। অথবা লজ্জা পাচ্ছেন। কাজ করছে সংকোচ এবং দ্বিধা।

মানুষকে আপন করে নেওয়ার কলা কৌশল (trick) পৃথিবীর খুব কম মানুষই জানে। এটি একটি বিশেষ দক্ষতা। হয়তো দেখে থাকবেন আপনারই পরিচিত কেউ অল্প কিছুক্ষনের মধ্যে অন্য যে কোন মানুষের প্রিয় পাত্র হয়ে উঠতে পারে। মানুষের (man) সাথে খুব সুন্দরভাবে মিশতে পারে।

কথা বলতে পারে। ফলে তাদের সে সম্পর্ক টেকে অনেকদিন। অথচ দেখা যায় আপনি নতুন (new) কোন মানুষের (man) সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। অথবা লজ্জা পাচ্ছেন। কাজ করছে সংকোচ এবং দ্বিধা।

ভাবছেন কি দিয়ে শুরু করবেন অথবা কি বলে কথা চালিয়ে যাবেন। আজ আপনাদের কাছে শেয়ার করবো কিভাবে ৫ মিনিটের মধ্যে মানুষকে (man) আপন করে নিতে পারবেন। তবে বিস্তারিত শুরু করার আগে একটা কথা মনে রাখবেন একই সূত্র সবার জন্য সমানভাবে কাজ নাও করতে পারে।

কারন পৃথিবীর কোন সম্পর্কই কোন নির্দিষ্ট সূত্র দিয়ে বেঁধে রাখা যায় না। এটি স্থান, কাল, পাত্র অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে। আর একটি জিনিস দেখবেন এই ধরনের মানুষেরা যারা মানুষকে (man) আপন করে নিতে পারে তারা কখনই কোথাও আটকে থাকে না।

মানুষ তাদেরকে দু হাত ভরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। মানুষ তাদের ভালোবাসে। আপনিও যদি মানুষের ভালোবাসা পেতে চান।

অথবা মানুষের (man) মনে দীর্ঘদিন স্থান পেতে চান, তাহলে টিপস গুলো ফলো করতে পারেন। আশাকরি এই টিপস গুলো জীবনে অনেক কাজে দেবে।

তো আর কালক্ষেপন না করে আমরা চলে যাচ্ছি বিস্তারিত কলা কৌশলেঃ (trick)

(১) প্রথম সাক্ষাতেই কুশল বিনিময় করুনঃ
এটি একটি সাধারন ভদ্রতা। এই সারা পৃথিবীর সকল স্থান, কাল ও পাত্র অনুযায়ী একই হয়। কোন মানুষের (man) সাথে প্রথম দেখা কিংবা পরিচিতির প্রথম ধাপই হচ্ছে কুশল বিনিময়।

আর কুশল বিনিময়ের একদম শুরুতেই নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী সালাম কিংবা নমস্কার অথবা এরকম কিছু দিন। পুুরুষ হলে তার সাথে হ্যান্ড শেক করুন।

আর যদি ধর্মীয় বিশ্বাসকে এভয়েড করতে চান তাহলে গুড মর্নিং বা এরকম কিছু বলুন। তবে চেষ্টা করবেন মৃদ্যু হাসি বিনিময় করে সালাম দিতে। তবে এক্ষেত্রে একটি কথা আছে।

পরিবেশ বুঝতে হবে। সব পরিবেশে আবার হাসবেন না। যেমন- ধরুন কোন মৃত ব্যক্তির বাড়িতে গেলেন তখন হাসি বিনিময় করে সালাম দেয়াটা আবার বোকামি। তাই আশেপাশের পরিবেশ, পরিস্থিতি খেয়াল করে কুশল বিনিময় করুন।

২) চোখে চোখ রেখে কথা বলুনঃ

মানুষকে (man) আপন করে নিতে এখানেই মানুষ (man) ভুলটা বেশি করে। ধরুন আপনি কারো উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছেন।
তখন অপর পাশের ব্যক্তি মোবাইল টিপছে বা অন্যদিকে তাকিয়ে আছে, কেমন লাগবে আপনার? আশাকরি তাতে আপনি ভালো বোধ করবেন না।

ঠিক তেমনি যখন কেউ আপনার সাথে কথা বলবে, আপনি তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো শুনুন। এতে আপনি যে তার কথা মনযোগ সহকারে শুনছেন, সেটা সে পছন্দ করবে।

(৩) ঝুঁকে বসুনঃ

মানুষকে (man) আপন করে নেয়ার এটি একটি অন্যতম কৌশল (trick) । যখন বসে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে কথা বলবেন তখন হেলান দিবেন না।

আরো পড়ুন  অবাঞ্ছিত লোম দূর করার উপায়

অথবা কোন দিকে কাত হয়ে বসবেন না। একদম সোজা হয়ে একটু তার দিকে ঝুঁকে বসুন। মানে মাথাটা একটু এগিয়ে দিন। তাতে ওই ব্যক্তি মনে করবে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে সহজেই আপনাকে সে আপন ভেবে কথা বলবে।

(৪) কথার উত্তর দিনঃ

মানুষকে (man) আপন করে নেয়ার আরেকটি কৌশল (trick) হচ্ছে কথা কম বলুন আর শুনুন বেশি। তবে রোবটের মতো কথা শুধু শুনেই যাবেন না।

মাঝে মাঝে কথার মাঝখানে হ্যা, হু, ও আচ্ছা, তাই! এরকম কিছু শব্দ ব্যবহার করুন। এর মানে আপনি যে তার সাথে কথাগুলো শেয়ার করছে, সেটা মিন করে।

তবে খেয়াল রাখবেন, হ্যা, হু, ও আচ্ছা, তাই! এগুলো যেন প্রতি শব্দের সাথে সাথে না বলেন। তাহলে ব্যাপারটা মেকি হয়ে যাবে। সিচ্যুয়েশন বুঝে কথার উত্তর দিবেন।

(৫) আমি, আমার এই শব্দগুলো পরিহার করুনঃ

মানুষকে (man) আপন করে নেয়ার সবথেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে এটা। মানুষ মানুষকে (man) অপছন্দ করার সবথেকে বেশি কারন হচ্ছে এটা। ধরুন আপনি কারো সাথে দেখা করতে গিয়ে খালি নিজের কথা বলেই যাচ্ছেন।

আমি এটা করেছি, ওটা করেছি, আমার এটা হয়েছে ওটা হয়েছে – এই ধরনের কথা মানুষ (man) খুব অপছন্দ করে।

যেমনঃ কারো সাথে দেখা করতে গিয়ে বললেন, ভাই আমি বিশাল বড় বেতনের একটা চাকরি পেয়েছি। আমার তাতে ভীষন খুশি লাগছে। আমার মা আমাকে দোয়া করেছে।

আমার বাবা পিঠ চাপড়েছে। আমার ভাই গিফট দিয়েছে। আমার বোন এটা করেছে, ওটা করেছে। এই ধরনের কথায় মানুষ (man) অস্বস্তিবোধ করে।

প্রাকৃতিকভাবেই মানুষ মানুষের (man) সাফল্য সহ্য করতে পারেনা। আবার ধরুন বললেন, ভাই আমি সমস্যায় আছি। আমার গরু মারা গেছে। আমার বিড়াল মারা গেছে। আমার মোবাইল চুরি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.