যারা চুল পড়া নিয়ে চিন্তায় আছেন? তারা এই তেলটা ব্যবহার করে দেখুন উপকার পাবেন

মানুষের সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ চুল (hair)। কালো ঝলমলে চুলের (hair)কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু চুল নিয়ে সমস্যার কী অন্ত আছে? চুল পড়া নিয়ে আমরা অনেকেই অনেক বেশি চিন্তা করি। বিভিন্ন কারনে চুল(hair) পড়তে পারে। পানির সমস্যা, আবহাওয়ার সমস্যা, বেশি চিন্তা করা, এছাড়া আরও নানা কারনে আমাদের চুল পড়ে (hair fall) যায়।
চুল পড়া বন্ধ করার জন্য বিউটি পার্লারে চিকিৎসা নেয়ার চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার বেশি কার্যকর। কেননা পার্লারে নেয়া চিকিৎসা পদ্ধতি দ্বারা চুল (hair)পড়া সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব হয় নাহ।

তবে নিচে দেওয়া ঘরোয়া উপায়ে তৈরি তেল ব্যবহারে চুল (hair)পড়া রোধ করা যায়।

যা যা লাগবে –

↵ আমলকী – ৫টি

↵ রসুন – ১টি

↵ নিমপাতা – ১৫টি

↵ তুলসি পাতা – ৫টি

↵ রসুন – ২০০ গ্রাম

↵ সরিষার তেল – ৫০ গ্রাম

↵ অলিভ অয়েল – ২০ গ্রাম

তেলটি (oil) যেভাবে বানাবেন _

রসুন আর আমলকী একটু ছেঁচে নিতে হবে

একটি পাত্রে সবগুলি তেল সমপরিমান নিয়ে চুলায়(hair) বসিয়ে একটু গরম হলে ছেঁচে রাখা রসুন আর আমলকী দিয়ে নাড়তে হবে।কিছুক্ষন পর নিমপাতা আর তুলসি পাতা দিয়ে নাড়তে হবে।খেয়াল রাখতে হবে যেন নিচে লেগে না যায়। পাতার সবুজ রং যখন তেলে চলে আসবে তখন তেল নামিয়ে ফেলতে হবে। তেল গুলি কিছুক্ষন সময় নিয়ে ফেনের নিচে রাখতে হবে।

আরো পড়ুন  চুলের যত্ন নিতে মেথি ও কালোজিরার তেল কিভাবে বানাবেন ও ব্যবহার করবেন

সবশেষেঃ তেল (oil) গুলি ছেঁকে পাতা আলাদা করে তেল গুলো একটা পাত্রে ভরে রেখে ব্যবহার করতে পারবেন। ইনশাল্লাহ চুল (hair)পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

অবশ্যই মনে রাখুন :
শুধু বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী ব্যবহার করলেই হবে না। চুল সবসময় ভালভাবে যত্ন করে রাখতে হবে। ঘুমনোর সময় অবশ্যই চুল খোলা রাখা যাবে না। চুল খোলা রেখে ঘুমালে বালিশে ঘষা খেয়ে ধীরে ধীরে চুল (hair)ভেঙ্গে যায়।
প্রখর রোদে চুল খোলা রেখে বাইরে যাওয়া ঠিক না। সূর্যের তাপে চুল (hair)রুক্ষ হয়ে যায়। তাই সুন্দর চুলের জন্য ছাতা ব্যবহার করা অতি উত্তম।

চুলের গোড়ায় ময়লা জমতে দেয়া যাবে না। যারা প্রতিদিন বাইরে যান তাদের চুল (hair)অনেক বেশি ময়লা হয়। তাই উচিত প্রতিদিন শ্যাম্পু (shampoo )করা।

ত্বকের (skin) পরম বন্ধু টক দই

যখনই আমাদের মাথায় স্কিন কেয়ারের কথা আসে, তখন একই সাথে চলে আসে না জানি কত নামি দামী ব্রান্ডের ক্রিমের নাম। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন আপনার রান্নাঘর বা ফ্রিজের এককোণে কত কিছুই না অবহেলায় অযত্নে পড়ে আছে যা কিনা হতে পারে আপনার ত্বকের (Skin) একান্ত বন্ধু। এমনই এক অসাধারণ উপাদান হচ্ছে টকদই। এই পরম উপকারী খাবারটি শুধু খাবার হিসেবেই নয়, বরং বহুকাল আগে থেকেই উপমহাদেশের বিভিন্ন এলাকায় রূপচর্চার একটি জরুরী উপাদান হিসেবে এর ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি যেমন সরাসরি ত্বকে (skin) লাগানো যায়, তেমনি অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়।

আরো পড়ুন  চুল লম্বা ও ঘন করবে এই ঘরোয়া ভেষজ তেল, কি সেই তেল?

শুধুই টকদইঃ

যারা রূপচর্চার পেছনে খুব বেশি সময় ব্যয় করতে চান না, অথচ সুস্থ ও সুন্দর ত্বক চান তারা নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন টকদই এর উপর। এটি ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে এবং সেই সাথে ত্বকের (skin) গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে। শুধু তাই নয়, এটি ত্বককে (skin) ময়েশ্চারাইজও করে। প্রত্যেকদিন মুখে ও গলায় টক দই(sour yogurt) লাগান এবং অপেক্ষা করুন ২০ থেকে ২৫ মিনিট। এরপর একটি ভেজা কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুখ ও গলা মুছে নিন। যদি আপনার বাইরে যাবার তাড়া থাকে তবে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে (wash) নিতে পারেন কারণ টকদই দেয়ার পর আপনার মুখ থেকে বেশ কিছুক্ষণ এর গন্ধ বের হবে। তবে দ্রুত ফল পেতে হলে টকদই দেবার পর এক থেকে দেড় ঘণ্টা রোদে বের না হলেই ভালো। যেহেতু রূপচর্চার এই পদ্ধতিটি অনেক সহজ, আপনি শরীরের অন্যান্য খোলা অংশ যেমন হাত, পায়ের পাতা বা ঘাড় ও পিঠের খোলা অংশে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

টকদই, চন্দন ও গোলাপজল এর প্যাকঃ

আরো পড়ুন  মাত্র ১ বার ব্যাবহারেই চুল হবে সুপার সফট, সিল্কি ,চুল পরা কমে চুল হবে ঘন ,লম্বা

ত্বক (skin) ফর্সাকারী উপাদান হিসেবে চন্দনের কথা আমরা বহু আগে থেকেই শুনে আসছি। রাজা মহারাজার সময় থেকেই এর কদর নারীমহলে চলে আসছে। এই চন্দন ও টকদই এর মিশ্রণ আমাদের মুখের ত্বকের (skin) জন্য খুবই উপকারী। দুই চা চামচ চন্দন গুঁড়ার সাথে পরিমাণমত টকদই মিশিয়ে একটি প্যাক তৈ্রি করতে হবে। এই প্যাক মুখে ও গলায় লাগিয়ে কমপক্ষে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ভালো মত ধুয়ে (wash)ফেলতে হবে। এই প্যাকটি মুলত শুষ্ক ও মিশ্র ত্বকের (skin) জন্য। যাদের ত্বক (skin) তৈলাক্ত তারা এই প্যাকে সাথে সামান্য গোলাপজল(rose water) মিশিয়ে নেবেন যা আপনাকে দিনভর ফ্রেশ রাখবে।

টকদই, ওটস্ ও মধুর প্যাকঃ

টকদই এর সাথে ওটস্ এবং মধু মিশিয়েও চমৎকার প্যাক তৈ্রি করা যায়। সমপরিমাণ ওটস্, মধু এবং টকদই নিয়ে একসাথে একটি পেস্ট তৈ্রি করুন। আপনার মুখে ও গলায় লাগিয়ে অপেক্ষা করুন ২০ মিনিট। তারপর ভালো করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে (wash)ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুইদিন ব্যবহার করুন।

টকদই ও টমেটো প্যাকঃ

যদি আপনার ত্বকে (skin)  রোদেপোড়া ভাব থাকে অথবা আপনি সানবার্নের স্বীকার হয়ে থাকেন তবে এই প্যাকটি আপনার জন্য ম্যাজিকের মত কাজ করবে। সমপরিমাণ টমেটোর রস(Tomato juice) ও টকদই মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত লাগান। কিছুদিন পর আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *