ডিম সিদ্ধ করার কতক্ষণ পর খাওয়া উচিত? আপনার জানা আছে কি?

ডিম হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রানীর স্ত্রী জাতির পাড়া একটি গোলাকার বা ডিম্বাকার জিনিস যা মেমব্রেনের স্তর দ্বারা ঘিরে থাকা ডিম্বক এবং বহিরাবরণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। বহিরাবরণের মূল কাজ হলো এর অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা ভ্রূণকে এবং ভ্রূণের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকে রক্ষা করা। মুরগী ও কচ্ছপের ডিমসহ বেশীরভাগ মুখরোচক ডিমই শক্ত বহিরাবরণ বা ডিমের খোসা, অ্যালবুমেন (সাদা অংশ),ডিমের কুসুম এবং কিছু মেমব্রেন দিয়ে তৈরী। ডিমের সকল অংশই খাদ্যপোযোগী, যদিও খোসা সাধারণত বাদ দেয়া হয়। পুষ্টিগতভাবে ডিম প্রোটিন ও কোলিনের উৎকৃষ্ট উৎস।

মুখরোচক রো এবং ক্যাভিয়ার হচ্ছে মাছের ডিম।

ডিম একটি আদর্শ খাবার। ছোট বড় সবাই ডিম খেতে পছন্দ করেন। অনেকের প্রতিদিনের নাশতায় ডিম থাকতেই হয়। তবে ডিম সিদ্ধ করে খেতে ভালোবাসেন বেশিরভাগ মানুষই।
ডিম সিদ্ধ খুবই সাধারণ এবং স্বাস্থ্যকর খাবার। তবে ডিম সিদ্ধ হওয়ার কতক্ষণ পর পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে, তা জানা অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই সিদ্ধ ডিম অনেকক্ষণ পরে খান। এমনকি দোকানে কতক্ষণ আগের সিদ্ধ করা ডিম দেয়া হচ্ছে, সেটাও বোঝা যায় না।

আরো পড়ুন  মিলনের সময় যেভাবে বুজবেন আপনার সঙ্গী যৌ’নতায় সুখ পাচ্ছে?

ডিম সিদ্ধ করার পর সংরক্ষণ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ফ্রিজে রাখা। পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ‘ইনক্রিডিবল এগ’য়ের তথ্যানুসারে জানানো হয়, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে রেফ্রিজারেইটরে সিদ্ধ ডিম সপ্তাহখানেক ঠিক থাকে।

নকল ডিম চেনার উপায় I Identify Fake Egg

এরপরই ডিম খারাপ হতে শুরু করে। তবে খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ ডিম হলে, সেটা খেতে হবে টাটকা। অর্থাৎ যেদিন সিদ্ধ করা হবে সেদিনই খেতে হবে।

সব ধরনের ডিম ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪.৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের নিচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। আর অবশ্যই মনে রাখতে হবে খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ ডিম কোনোভাবেই ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা যায় না।

খালি পেটে ডিম খাওয়ার উপকারিতা জানলে আবাক হবেন

ফ্রিজে সংরক্ষণ করা ছাড়া সাধারণ তাপমাত্রায় ডিম সিদ্ধ করার পর দু’ঘণ্টা পর্যন্ত ভালো থাকে। অর্থাৎ তার পরে আর না খাওয়াই ভালো।

আরো পড়ুন  সকল মেয়েদের জানা জরুরী, যেসব খাবার খেলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়

আমেরিকার ‘সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’য়ের তথ্যানুসারে, দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এরকম খাবারের মধ্যে ডিম সিদ্ধ করার পর সাধারণত দুই ঘণ্টার মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।

এরপরে হয় ফেলে দিতে হবে নয়তো ফ্রিজারে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে অবশ্যই খোসা না ছাড়ানো অবস্থায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.