নারীদের সাথে মিলনকালে পুরুষরা অবশ্যই যে কাজগুলো করবেন

সেক্স  (physical relation) বা যৌন মিলনের সময় পুরুষদের বিশেষ কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সমাজের পুরষদের দেখা যায়, তাদের স্ত্রীর মন মাননিকতার দিকেও পর্যন্ত নজর দেন না। অন্যসব বিষয় তো দুরে থাক। অথচ সেক্স (physical relation) বা যৌন মিলন একার কোন বিষয় নয়। এখানে দু’জনকেই সমান মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। আসুন জেনে নেই মিলনের আগে পুরুষ সেক্স পার্টনারের কিছু কর্তব্য সম্পর্কে –

পুরুষ সেক্স পার্টনারের কর্তব্য হলো নারী সেক্স (physical relation) পার্টনারকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের কামনার নারী ভেবে নিয়ে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।

কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতেই হবে।

চুম্বন, আলিঙ্গন, ঘর্ষন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে নারী সেক্স (physical relation) পার্টনারের মনে পূর্ণ কামভাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের প্রধান কর্তব্য।

নারী সেক্স (physical relation) পার্টনার ধীরে ধীরে আত্নসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সঙ্গম বা সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।

নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।

নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সহবাস বা সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা যৌননীতি বিরুদ্ধ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না-এর জন্যে সে অন্য পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।

আরো পড়ুন  যে অভ্যাস গুলোর কারণে নিজের অজান্তেই কমিয়ে ফেলছেন নিজের আয়ু

একেবারে দর্শন মাত্রেই রতিক্রিয়া আরম্ভ করা উচিত নয়। তাতে নারীর কামেচ্ছা তেমন জাগ্রত হয় না। কাজেই উভয়ের পক্ষে রতিক্রিয়া তেমন আনন্দদায়ক হয় না।
ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী সহবাস উচিত নয়। মেজাজ প্রফুল্র না হলে সময় নেয়া প্রয়োজন। ততোক্ষন পর্যন্ত পুরুষকে অপেক্ষা করে প্রেম-ভালোবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলাই কর্তব্য।

সঙ্গম বা সহবাসে লিপ্ত হওয়ার আগে নারীর শরীরে প্রকৃত বা আসল উত্তেজনা এসেছে কীনা তাও বোঝা প্রয়োজন, প্রকৃত বা আসল উত্তেজনা না এলে সঙ্গম বা সহবাসে নারীর পূর্ণ তৃপ্তি আসতে পারেনা।

পুরুষ  রতি ক্রিয়ার প্রথমে যথেষ্ট উত্তেজিত হয়। কিন্তু একবার বীর্যপাত ঘটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে আবার রতিক্রিয়ায় পুরুষের আর পূর্বের মত উত্তেজনা থাকে না। নারীর উত্তেজনা কিন্তু ভিন্ন প্রকারের। প্রথম রতিক্রিয়ায় সে বিশেষ আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু যখন রতিক্রিয়া কিছুক্ষন চলে তখন ক্রমশঃ তার আগ্রহ বাড়তে থাকে। পরে পুরুষের বীর্য্যপাত ঘটলেও নারীর রতিক্রিয়ার আগ্রহ ক্রমশঃ বাড়তে থাকে।

এইজন্য নারীর সাথে রতিক্রিয়া আরম্ভ করতে হলে একেবারেই প্রথম থেকেই রতিক্রিয়া করা উচিত নয়। প্রথমে নারীর সঙ্গে কথাবার্তা বলা দরকার, তারপর তাকে চুম্বন, দংশন, নখচ্ছেদ ও আলিঙ্গন ইত্যাদি প্রাথমিক ক্রিয়া করা উচিত। এ সকল প্রাথমিক রসালাপ অঙ্গ-মর্দন, অধর, চুম্বন ইত্যাদিতে যখন নারীর কামেচ্ছা প্রবল থেকে প্রবলতর হবে তখন সঙ্গমের জন্য প্রস্থত হওয়া দরকার।

আরো পড়ুন  লেবুর রস এবং মধু দিয়ে মেয়েদের যেকোন স্থানের লোম দূর করার উপায়

পুরুষের লিঙ্গে মধু দিলে লিঙ্গ শক্ত হয় কেন?

লিঙ্গ (ইংরেজি: Gender) হল নারীত্ব এবং পুরুষত্বের পার্থক্যকারী বৈশিষ্টসমূহের সীমারেখা| এটি জৈবিক লিঙ্গ, চারিত্রিক আচরণ, সামাজিক বৈশিষ্ট ও ভূমিকা প্রভৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠে|

এটা একটা পুরাতন বিষয় যে বিষয়ের সাথে মানুষ প্রতিদিনই লড়াই করে চলছে। এ প্রশ্নটি মানুষের চিন্তার সৃষ্টি এবং নানাবিধ ভয়ের ব্যপকতা বাড়াচ্ছে, যেহেতু মানুষ তাদের অপর্যাপ্ততার (কম সেক্স) সম্ভাবনা নিয়ে ভাবে।
পুরুষের লিঙ্গের আকার কত হওয়া উচিত ?
আপনার চিন্তা ধারায় এটি কঠিন একটি প্রশ্ন এবং সৌভাগ্য বশত এ সমস্যা প্রায় সময় আপনার সহপাটিদের থেকে নিজের উপলব্ধি করতে হয়।

পুরুষের লিঙ্গের সাইজঃ প্রকৃত ব্যাপার না এবং ভূল ধারনা

প্রথম কারণ। Psychology of Men and Masculinity এর প্রতিবেদন অনুসারে
৬৮ % খাড়া লিঙ্গের মধ্যে অধিকাংশ পুরুষের লিঙ্গ ৪.৬ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। ১৬ % লোকের সোজা লিঙ্গের সাইজ ৬.১ ইঞ্চি থেকে লম্বা এবং শুধু মাত্র ৬.৯ ইঞ্চি অতিক্রম করেছে.২.৫ % লোকের।এবং খাড়া লিঙ্গ মাত্র ১৬% পুরুষের ৪.৫ ইঞ্চি থেকেও ছোটো । তাদের আবার শুধু ২.৫% পুরুষের লিঙ্গ ৩.৭ ইঞ্চির নিচে।

কিন্তু আপনি কি জানেন যে, কে লিঙ্গের সাইজ নিয়ে চিন্তিত?

আরো পড়ুন  যে কোনো নারীকে যৌন মিলনে আগ্রহী করার উপায়

আর একটি একই সেমিনারে ৫২০০০ এর ওবেশি পুরুষ এবং মহিলার অংশগ্রহণ থেকে ৪৫ % লোকের এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে তারা লিঙ্গের সাইজ নিয়ে খুশি নয় তাই তারা আরও লম্বা করতে চাই। পরিচিতদের তুলনামূলক গড়পর্তায় ১৬% পুরুষেরই লিঙ্গছোটো। এবং বৃদ্ধ পুরুষদের ক্ষেত্রে একই উপলদ্ধি পরিবর্তিত হয় না তাই এভাবে দেখাগেল একই সংখ্যক বৃদ্ধরা তাদের লিঙ্গ নিয়ে খুশি না কারণ তাদের শক্ত পুরুষের লিঙ্গের মতো সক্রিয় সোজা না। তাদের অপর্যাপ্ততার (কম সেক্স) পরিণতির বিষয় ধারনা আছে। পুরুষেরা বিশ্বাস করে যে তাদের লিঙ্গ এতো ছোট যে তারা তাদের সহপাটিদের সামনে ধোন বের করতে লজ্জা পায়। সম্ভবত সেক্স করার সময় তারা তাদের ছোটো নুনুকে বেশি লুকাই। এবং অবশেষে তাদের অসুন্দর এবং ব্যর্থ বলে বিচার করে। আন্যথায় কিছু মানুষ আছে যারা সম্ভবত খুব বড় লিঙ্গ নিয়েনিজেদের আত্মপ্রত্যয়ী এবং আকর্ষণীও বলে মনে করে। তবে মজার ব্যাপার সামগ্রিক রিপোর্ট থেকে জানা যাই যে, ৮৪ % মহিলারা তাঁদের পুরুষদের লিঙ্গের সাইজ নিয়ে আনন্দিত। তাই পুরুষের এই সমস্যাটি মহিলাদের নিকট কোন সমস্যা না বলেই বিবেচিত।

গল্প এখানেই শেষ নয়, লিঙ্গের ব্যাপার হল মহিলাদের উপর। কারণ যখন মহিলারা লিঙ্গের সাইজ(আকার) সম্পর্কে বলে তখন তারা মোটাতেই আশাবাদী লম্বাতে নয় বলে বোঝায়।
“একটা খুব লম্বা ত্বকের লিঙ্গ কখনো আরাম দায়ক নয় ছোটো লিঙ্গের মতো।” এটা বলেছেন লস এঙ্গেলস এর যৌনবিদ পাটটি ব্রিট্টন, পি এইস ডি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *