ভেজাল দুধ চেনার অব্যর্থ ৫ উপায়!

দুধ (milk) হল স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুগ্ধগ্রন্থি থেকে উৎপন্ন একপ্রকার সাদা তরল। অন্যান্য খাদ্যগ্রহণে সক্ষম হয়ে ওঠার আগে এটিই হল স্তন্যপায়ী শাবকদের পুষ্টির প্রধান উৎস। স্তন থেকে দুগ্ধ নিঃসরণের প্রাথমিক পর্যায়ে শাল দুধ (milk) উৎপন্ন হয় যা, শাবকের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

গবাদি পশু থেকে জাত দুধ (milk) হল মানুষের একটি প্রধান খাদ্য। কাচা দুধের পুষ্টির পরিমাণ বিভিন্ন প্রাণীর ক্ষেত্রে ভিন্ন হলেও তাতে প্রচুর পরিমাণে সম্পৃক্ত স্নেহ পদার্থ, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি পাওয়া যায়। আবার গরুর দুধ হল সামান্য অম্লজাতীয়।

সমগ্র বিশ্বে ৬০০ কোটিরও বেশি দুধ (milk) ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের গ্রাহক রয়েছে এবং এদের মধ্যে অধিকাংশই উন্নয়নশীল দেশগুলির নাগরিক। প্রায় ৭৫ কোটি মানুষ গোপালক পরিবারে বসবাস করে। ২০১০ সালে বিশ্বের গব্যখামারগুলি থেকে ৭২ কোটি টন দুধ উৎপন্ন হয়।[৪] ভারত বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধ উৎপাদক এবং গ্রাহক হয়েও দুধ (milk) আমদানি বা রফতানি করে না। নিউজিল্যান্ড, ই ইউ-১৫ এবং অস্ট্রেলিয়া হল বিশ্বের তিন বৃহত্তম দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য রফতানিকারী দেশ। চীন, মেক্সিকো এবং জাপান হল বিশ্বের তিন বৃহত্তম দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য আমদানিকারী দেশ। উন্নয়নশীল দেশগুলিতে পুষ্টি বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় দুধের অবদান সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। পালিত পশু, ডেয়ারি প্রযুক্তি, দুধের গুণগত মান, ইত্যাদির উন্নতিসাধন সারা বিশ্বে দারিদ্র্য ও অপুষ্টি দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।[

আরো পড়ুন  ইফতারে ১০ মিনিটেই তৈরি করুন মচমচে জিলাপি

 

ব্যবসায় অধিক লাভের আশায় দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে ভেজালের কারবার। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসে বিভিন্ন ভাবে ভেজালের ব্যবহার এখন প্রতিদিনের ব্যাপার। সম্প্রতি প্লাস্টিকের দুধ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমগুলির মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে প্রবাহিত হয়েছিল সেই আতঙ্ক। কিন্তু কী ভাবে চিনবেন ভেজাল দুধ? তেমন কোনও উপায় আছে কি? উপায় আছে। জেনে নিন ভেজাল দুধ (milk)  চেনার সহজ উপায় –

১। ভেজাল দুধ হাতে নিয়ে ঘষলে সাবানের মতো অনুভূতি হবে। ২। কিছুটা দুধ (milk)  নিয়ে তার মধ্যে সালফিউরিক অ্যাসিড মিশিয়ে দেখুন। যদি নীল রং দেখা যায়, বুঝতে হবে ফর্মালিন মেশানো রয়েছে দুধে। ৩। কয়েক ফোঁটা দুধ ঘরের মেঝেতে ঢেলে দিন। মাটির ঢাল অনুযায়ী দুধ গড়িয়ে যাবে। দুধ খাঁটি হলে মেঝেতে সাদা দাগ পড়বে। কিন্তু ভেজাল দুধে কোনও দাগ থাকবে না।

আরো পড়ুন  দুধ গরম নাকি ঠাণ্ডা পান করা বেশি উপকার? আপনি কি জানেন?

৪। ফাঁকি দেয়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা আটা, গুঁড়া দুধ (milk) , ময়দা এমনকি চালের গুঁড়োও দুধের সঙ্গে মেশান। এতে দুধের আপেক্ষিক ঘনত্বের খুব বেশি হেরফের হয় না। দুধে এসব ভেজাল মেশানো আছে কি না, তা বোঝার জন্য দু চামচ দুধ একটি কাপে নিন। এতে দুই ফোঁটা টিংচার আয়োডিন মিশিয়ে দিন। দুধের রং হালকা নীল হলে বুঝবেন, এতে ভেজাল হিসেবে আটা বা ময়দা মেশানো রয়েছে।

৫। অনেক সময় দুধে (milk)  কার্বোহাইড্রেট মেশানো হয়। আধা কাপ দুধ একটা পাত্রে নিয়ে তার মধ্যে ২ চামচ লবণ দিন। দুধের রং নীল হয়ে যায় বুঝতে এতে কার্বোহাইড্রেট মেশানো হয়েছে।

আরো পড়ুন, ফ্রিজে না রাখলেও ভালো থাকে যে খাবারগুলো –

কিছু খাবার আছে যেগুলো ফ্রিজের বাইরে দুই ঘণ্টা রাখলেই ব্যাকটেরিয়া জন্মে যায়। আবার কিছু খাবার আছে যেগুলো ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন না থাকলেও অহেতুক ফ্রিজে রেখে স্বাদ নষ্ট করে ফেলা হয়। এক দুই রাত অনায়াসেই রুম টেম্পারেচারে ভালো থাকে এসব খাবার। এক নজরে দেখে নিন ফ্রিজ ছাড়াই ভালো থাকে কোন খাবারগুলো।

আরো পড়ুন  সিঙ্কে পানি আটকে যায়? তেল চিটচিটে ভাব ও দুর্গন্ধ হয়? তাহলে দেখে নিন টিপসটি

পাউরুটি: পাউরুটি কখনোই ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। স্বাদ একদম নষ্ট হয়ে যায়। পাউরুটির মেয়াদ লেখা থাকে প্যাকেটে। মেয়াদ (date) পর্যন্ত ফ্রিজের বাইরে ভালো থাকে। বাতাসের সংস্পর্শে শুধু একটু শক্ত হয়ে যেতে পারে। মাখন: পাস্তুরিত মাখন অনায়াসেই দুই দিন পর্যন্ত রুম টেম্পারেচারে রাখা যায়। তবে কাগজের মোড়কে না রেখে বাক্সে রাখাই ভালো। নাহলে গলে ছড়িয়ে যেতে পারে। তবে দুইদিনের বেশী বাইরে না রাখাই ভালো।

সয়াসস/ভিনেগার/মধু: সয়াসস, ভিনেগার আর মধু (honey) ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। তবে টমেটো ক্যাচাপ ফ্রিজে না রাখলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর ঘরে তৈরি সস হলে অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হবে। শক্ত পনির: নরম পনির ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত ফ্রিজের বাইরে রাখা যায়। তবে পারমিসান এর মতো শক্ত পনির এক রাত ফ্রিজের বাইরে ভালো থাকে। পনির ফ্রিজে রাখলে শক্ত হয়ে যায়। ইনসাইডার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *