যে জিনিস সেবনে মাত্র ৭-১৫ মিনিটের মধ্যে কাজ শুরু করবে। উত্তেজিত করার সবচেয়ে দ্রুত মেডিসিন

আমাদের শরীরকে (bod) মেদহীন রাখতে, যৌনজীবনকে সচল রাখতে, প্রজনন ক্ষমতা, ত্বক-চুলের স্বাস্থ্য ধরে রাখতে আমাদের শরীরে ভিন্ন হরমোনের সঠিকভাবে কাজ করাটা অত্যন্ত প্রয়োজন।

আমাদের শরীরের হরমোন মাত্রার সমতা বজায় রাখাটা অত্যন্ত জরুরি। শরীরে (bod) হরমোনের মাত্রার হেরফেরে নানা ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হরমোনের মাত্রার তারতম্যে আপনার যৌনজীবন ব্যহত হতে পারে। সেক্স হরমোন-এর সমতার অভাবে আপনার যৌন ইচ্ছা নষ্ট হতে পারে, কামশক্তি ক্ষীণ হতে পারে, প্রজননের ক্ষমতা ধ্বংস হতে পারে।

এখানে কয়েকটি সহজ টিপস দেওয়া হল যার ফলে আপনার শরীরে (bod)সেক্স হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি  (increase) পাবে এবং কামশক্তিও বৃদ্ধি হবে।

হলুদ দুধ

রাতে শুতে যাওয়ার আগে হলুদ দুধ খান। এটি আপনার স্নায়ুকে বিশ্রাম দেবে। এক গ্লাস দুধে, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধ চামচ দারচিনি গুঁড়ো দুয়ে মিনিট পাঁচেক ফোটান। এতে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটি আপনার শরীরের (bod) সেক্স হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধিতে (increase) সাহায্য করে।

গরম খাবার

আয়ুর্বেদের মতে সবসময় গরম খাবার খাওয়া উচিত বা খাবার সময় গরম করে খাওয়া উচিত। ঠাণ্ডা খাবার হজম করা কঠিন হয়। এছাড়া ডিনারে কাঁচা কোনও খাবার খাবেন না।

আরো পড়ুন  দুধ গরম নাকি ঠাণ্ডা পান করা বেশি উপকার? আপনি কি জানেন?

ওমেগা-৩ পূর্ণ খাবার খান

ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড খাবারে প্রদাহ কমে, এর ফলে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণও কমে। এই হরমোনের ফলে আপনার সেক্স হরমোনের স্বাভাবিক ক্ষরণ বাধাপ্রাপ্ত হয়, ফলে কামশক্তি কমে যায়। টুনা, বাংড়া মাছ খেতে পারেন। এছাড়া অলিভ অয়েল, আখরোট প্রভৃতি।

ভাল ফ্যাট

ফ্যাট আমাদের শরীরের (bod)পক্ষে উপকারি। কিন্তু তা ভাল ফ্যাট না খারাপ ফ্যাট তা জানা দরকার। ভাল ফ্যাট খেলে খারাপ কোলেস্টরেলের মাত্রা কমতে শুরু করে। এর ফলে সেক্স হরমোনের সমতা এবং সরবরাহ অবাধ হয়।

স্ত্রী হরমোন

সেই সব খাবার বেশি করে খান যা স্ত্রী হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে। যেমন অলিভ, কড়াইশুঁটি, রসুন, সূর্যমুখী ফুলের বীজ প্রভৃতি।

ঘুম

শরীরের (bod) হরমোনের সমতা বজায় রাখার জন্য দিনে ৮ ঘন্টার ঘুম অত্যন্ত জরুরী। ঘুম ক্লান্তি দুর করে। কামশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং সেক্স হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

অ্যালার্জি জাতীয় খাবারে না

আরো পড়ুন  নবজাতকের স্বাস্থ্য সচেতনতা জেনে নিন

আপনার যদি কোনও নির্দিষ্ট খাবারে অ্যালার্জি থাকে, তাহলে সেই ধরণের খাবার এড়িয়ে চলুন। নয়তো এই ধরণের খাবার শরীরের (bod) স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেবে এবং সেক্স হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেবে। এর ফলে আপনার যৌন জীবন নষ্ট হতে পারে।

ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ

কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। যা খুব খারাপভাবে শরীরের (bod)হরমোনকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে আপনার কামশক্তি, যৌনইচ্ছা হ্রাস পেতে থাকে। যে কোনও ওষুধ নেওয়ার আগেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

মেয়েদের উত্তেজিত না করে যৌন মিলন করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেই মিলন সফল হয় না। সহবাসে লিপ্ত হওয়ার আগে অবশ্যই উচিত মেয়েদের উত্তেজিত করা, তাহলেই একমাত্র সফল সেক্স সম্ভব। মেয়েদের উত্তেজিত করার বেশ কিছু পদ্ধতি বা টিপস আছে, চরুন মেয়েদের উত্তেজিত করার সেই টিপসগুলো সম্পর্কে জেনে নিই। মেয়েদের উত্তেজিত করা বা সেক্স এর জন্য রেডি করা বা হর্ণি করার জন্য প্রথমে যে পদ্ধতিটা প্রয়োগ করা উচিত বা করবেন তা হল স্পর্শ (touch) । এটিকে শুনতে যেন তেন ব্যপার মনে হলেও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঠিকমত স্পর্শ (touch) করতে পারলে আপনি খুব সহজেই কোনো মেয়েকে উত্তেজিত বা কামুকি (সেক্সের জন্য তৈরী) করে তুলতে পারবেন। প্রথমে অবশ্যই আপনাকে আপনার মনের মধ্য থেকে ভয় টা দূর করতে হবে। মনে ভয় থাকলে কোন নারেীকে উত্তেজিত করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। যার সাথে করার উদ্দেশ্য আপনার, তাকে আপনি বিভিন্ন সময় টাচ করুন।
এটি কিন্তু নরমাল হাত ধরা না।

আরো পড়ুন  হঠাৎ শারী’রিক মি’লন বন্ধ করলে মে’য়েদের যা হয়! প্রত্যেক স্বা’মীর জানা উচিৎ

কোন মেয়েকে উত্তেজিত করার ক্ষেত্রে চেষ্টা করবেন কাঁধের দিকটায় বেশি ধরার। ধরে রেখে দিতে হবে এমন না, ধরুন – ছাড়ুন। বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে, অবচেতন ভাবে ভান করে ধরুন। খুব ভাল হয় যদি দু – তিন বার পিঠের দিকের ব্রা টা স্পর্শ (touch) করেন জামার উপর দিয়ে।কোন মেয়েকে উত্তেজিত করতে এটি তাকে যথেষ্টই হর্নি করবে।

এসময় যদি একটু ফ্লার্ট করেন তাহলে আরো ভাল হয়। মেয়ের সাথে ভাল ফ্রেন্ডলি রিলেশন থাকলে গালে কিস (kiss) করবো ইত্যাদি মজা করার স্টাইলে বলেও তাকে নিজের দিকে টান দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.