পেঁয়াজ দিয়ে এত রোগ সারানো যায় জানতেন?

কাঁচা পেঁয়াজ (Onion) খাওয়ার উপকারিতার কথা সব চিকিত্সক, ডায়েটিশিয়ানরাই বলে থাকেন। আমরা নিজেরাও জানি সুস্থ থাকতে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া কতটা প্রয়োজনীয়। পেঁয়াজের (Onion) মধ্যে প্রচুর পরিমাণ সালফার থাকার কারণে এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল গুণ সাধারণ সর্দি, কাশি থেকে হার্টের সমস্যাও দূরে রাখতে পারে। আর যদি কাঁচা পেঁয়াজ (Onion) খেতে ভাল না লাগে? তাহলেও রয়েছে উপায়। জেনে নিন না খেয়েও কী ভাবে বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহার করতে পারেন কাঁচা পেঁয়াজ।

বুকে ইনফেকশন: পেঁয়াজ (Onion) কুরিয়ে নিয়ে ১-২ টেবল চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।

এই পেস্ট বুকে লাগিয়ে তোয়ালে জড়িয়ে রাখুন। ইনফেকশন কমে যাবে।

কাটা-ছেঁড়া: পাতলা করে পেঁয়াজের সাদা ফিল্ম কেটে নিয়ে কাটার ওপর লাগিয়ে গজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। রক্ত পড়া সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে।

জ্বর: জ্বর কিছুতেই কমছে না? পায়ের তলায় নারকেল তেল মালিশ করে পেঁয়াজের (Onion) স্লাইস রেখে মোজা পরে থাকুন। জ্বর কমে যাবে।

কাশি: পেঁয়াজ অর্ধেক করে কেটে নিন। দুটো আধা ভাগের ওপর এক টেবল চামচ করে ব্রাউন
সুগার দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিন। দিনে দু’বার করে খেলে কাশি কমে যাবে।

কানের ব্যথা: পেঁয়াজ কুরিয়ে পাতলা কাপড়ে বেঁধে নিন। ব্যথা কানের কাছে কাপড় বেঁধে রাখুন।

শিশুদের পেটের সমস্যা: হলুদ পেঁয়াজ (Onion) ডুমো করে কেটে জলে ফুটিয়ে অনিয়ন টি বানিয়ে নিন।

আরো পড়ুন  ঘরে বসে দ্রুত ওজন কমান ঘরে তৈরী এই পাণীয়টি দিয়ে

শিশুদের এই চা খাওয়ালে সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

বমি: বার বার বমি হচ্ছে? পেঁয়াজ (Onion) বেটে রস তৈরি করে নিন। সঙ্গে বানিয়ে রাখুন পেপারমিন্ট টি। দু’চা চামচ পেঁয়াজের রস খেয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন।

এ বার দু’চা চামচ পেপারমিন্ট টি খান। এ ভাবে এক বার পেঁয়াজের (Onion) রস, এক বার চা ১৫ মিনিট ধরে খেলে বমি কমে যাবে।

প্রথমবার প্রচুর রক্তপাতে আতংকগ্রস্থ হই, শারীরিক সম্পর্ক (physical relation) জীবননাশক মনে হয়…
দু’বছর আগে আমার জীবনে প্রথমবার শারীরিক সম্পর্ক (physical relation) করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত অনেক রক্তপাত হয়। আমি সেদিন মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আগেই হঠাৎ করে আমার স্বামী আমার সঙ্গে সহবাসে /শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয় এবং কিছুক্ষণ পরই আমার মারাত্মকভাবে রক্তপাত হতে থাকে। ও তখন এ অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে যায় এবং তৎক্ষণাৎ সহবাসে ইস্তেফা টানে।

এরপর আমার প্রায় দুঘন্টার মতো রক্তক্ষরণ হয়। কেউ সেটা বন্ধ করতে পারে না। আমাকে হাসপাতাল নেয়া হলে ডাক্তারদের প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগে রক্তপাত বন্ধ করতে। আমাকে তখনই জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করা হয়। একব্যাগ রক্ত দেয়া হয়। ডাক্তার আমাকে তিনমাস সম্পুর্ন বিশ্রাম নিতে বলেন এবং কোনো প্রকার শারীরিক সম্পর্ক (physical relation) করতে নিষেধ করেন।

আরো পড়ুন  নারীদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর উপায় জেনে নিন

আমার স্বামীও আমাকে আর জোর করেনি। দুমাসের মধ্যেই আমার স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ায় আমাদের দ্বিতীয়বার আর কোনো সহবাসের চেষ্টা হয়নি। কিন্তু ওই ঘটনার কারণে আমি এখনো মানসিকভাবে আতংকগ্রস্থ, যার কারণে আমি শারীরিক সম্পর্ককে (physical relation) সহজভাবে ভাবতে পারি না। আমার স্বামী এ মাসেই বাংলাদেশে ফিরছে। আমি এখন কীভাবে ওর সঙ্গে মানসিকভাবে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য নিজেকে গড়ব? আমাকে সবাই, এমন কী আমার স্বামীও অনেকভাবে বুঝিয়েছে। কিন্তু আমার কাছে এখন শারীরিক সম্পর্ককে জীবননাশক মনে হয়। কী এমন সমস্যা হয়েছিল আমার যে শরীর থেকে দুলিটার রক্ত চলে গিয়েছিল? এমন তো কারো হয় না।

আমি যদি আবার শারীরিক সম্পর্ক (physical relation) করতে যাই তাহলে কি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে? আমার কি ভবিষ্যতে সন্তান নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে?
আপু, আপনার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে আপনার বয়স খুবই কম। আপনার শরীর এখনো শারীরিক সম্পর্কের (physical relation) জন্য তৈরি নয়। আপনি শারীরিক মানসিক প্রস্তুতি নেয়ার আগেই স্বামী যেহেতু সহবাস করতে গিয়েছিল, এটাকে এক প্রকার ধর্ষণই বলা যেতে পারে। সেই চেষ্টায় আপনার শরীরের কতটা ক্ষতি হয়েছে, সেটা সাময়িক ছিল কিনা- সেটা আমার পক্ষে বিস্তারিত না জেনে বলা সম্ভব নয়। আর আপনি যে ভয়টা পাচ্ছেন, সেটাও শতভাগ জায়েজ। এমন একটা ঘটনার পর ভয় আপয়ায়া খুবই স্বাভাবিক। এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার শরীর-মন সহবাসের জন্য তৈরি না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অবশ্যই এই সম্পর্কে যাওয়া আপনার উচিত হবে না। কেবল স্বামী চাইছেন বলেই সহবাস করতে হবে, এমন চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। এবং বাচ্চা নেয়ার চিন্তাও আপাতত অনেক দূরে রাখুন।

আরো পড়ুন  হলুদের ব্যবহারে ১২টি ঘরোয়া চিকিৎসা

আপনি যা করবেন, একজন খুব ভালো স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন ও নিজের ভালো করে একটা চেকাপ করাবেন। অবশ্যই আপনার গুরুতর কিছুই হয়েছিল, কেননা ৩ মাস ডাক্তার বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। শ্বশুরবাড়ির লোক সত্য চেপে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক, তাই ডাক্তারকয়ে সব খুলে বলে তাঁর কাছ থেকে একদম বিস্তারিত জেনে নেবেন যে আপনার কী হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে শারীরিক সম্পর্ক (physical relation) করলে আপনার কোন ক্ষতি করবে কিনা। ডাক্তার যা বলবেন, সেটার ওপরে ভিত্তি করেই কাজ করবেন। ডাক্তার সব ওকে বলে দিলে দেখবেন আপনার ভয়টাও অনেক কমে যাবে।

দ্বিতীয়ত, আপনি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন এবং তাঁর সহায়তা নেবেন এই ভয় কাটিয়ে উঠতে। এটা খুবই জরুরী। একটা খারাপ ঘটনা আমাদের মনের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করে দেয়, এটা কাটিয়ে উঠতে ডাক্তারের হেল্প নেয়ায় মোটেও লজ্জার কিছু নেই। আপনি কাউকে না জানিয়ে নিজেই নিজের জন্য এই কাজগুলো করুন। দেখবেন আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *