সামনে কোন উৎসব থাকলে এই পদ্ধতি ট্রাই করুন পার্লারে দৌড়ঝাঁপের দরকার পড়বে না

ত্বকের (skin) নানা সমস্যায় নাজেহাল হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অনেকে আবার এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নির্ভর করেন বাজারি পণ্যের উপর। এতে কখনো কখনো হিতে বিপরীত হয়! অর্থাৎ সমস্যা কমে না গিয়ে, উল্টো আরো বেড়ে যায়। তাই আপনাদের জন্য আমাদের আজকের আয়োজন ন্যাচারাল বিউটি ট্রিটমেন্ট নিয়ে।

সহজলভ্য একটি সৌন্দর্য উপাদান সবসময়ই আমাদের ফ্রিজে থাকে। হ্যাঁ ডিমের কথাই বলছিলাম! ডিম চমৎকার প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বকের(skin) যত্নে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। আর ডিম দিয়ে তৈরী ফেসিয়াল (facial) মাস্ক বেশ কার্যকর হয় বটে!

ডিমের সাদা অংশ ত্বক (skin) উজ্জ্বল ও দৃঢ় করতে সাহায্য করে, অন্যদিকে ডিমের কুসুম ভিটামিন এ, বিশুদ্ধ প্রোটিন ও পুষ্টিতে ভরপুর। তো আসুন জেনে নেই ডিমের সহজ ও কার্যকর ৫টি ফেসিয়াল (facial)মাস্ক সম্পর্কে –

১/ ডিমের কুসুমের মাস্ক

ত্বকের (skin) জন্য ডিমের সহজ ৫টি ফেসিয়াল (facial)মাস্ক

যারা খুব ব্যস্ত থাকেন- ত্বকের (skin) যত্ন নেয়ার সময় মোটেই পান না, তাদের জন্য ডিমের কুসুমের ফেসিয়াল (facial)মাস্ক অনেক উপযোগী। অল্প সময়ে ভালো ফলাফল পেতে এই সহজ মাস্কের উপর নির্ভর করতে পারেন। তাছাড়া এতে বাড়তি কোন উপাদান মেশানোর প্রয়োজন হয় না।
মুখ পরিষ্কার করে একটি ডিমের কুসুম লাগিয়ে নিন। অর্ধেক শুকিয়ে যাওয়ার পর (আনুমানিক ৫ মিনিট পর) উষ্ণ পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এ মাস্ক ব্যবহারে ত্বক (skin)  কোমল ও মসৃন হয় এবং ত্বকে (skin)  প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও আদ্রতা পৌঁছায়।

২/ ডিম, প্লেইন ক্রিম ও গাজরের রসের মাস্ক

আরো পড়ুন  স্পর্শকাতর ত্বক ঠিক করতে ঘরেই তৈরি করুন আপেল নাইট ক্রিম

প্রাকৃতিক উপাদানের এই ফেসিয়াল (facial) মাস্কটি তৈরী ও ব্যবহার অনেক সহজ। একটি ডিমের কুসুমের সাথে ১ টেবিল চামচ ঘন প্লেইন ক্রিম ও ১ টেবিল চামচ গাজরের রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। মাস্কটি ৫-১০ রেখে প্রথমে উষ্ণ ও শেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এতে আপনার ত্বকে (skin)  যেমন টোনারের কাজ হবে, তেমনি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে।

৩/ ডিমের সাদা অংশ ও কর্ন ফ্লাওয়ারের মাস্ক

ত্বকের জন্য ডিমের সহজ ৫টি ফেসিয়াল (facial) মাস্ক
এই কার্যকর মাস্কটি ব্যবহারে আপনার ত্বক (skin) ভেতর থেকে পরিষ্কার হবে এবং মুখের লোমকূপগুলো কম দৃশ্যমান হবে।
একটি ডিমের সাদা অংশের সাথে এক টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার মেশান। মাস্কটি মুখে লাগিয়ে পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর প্রথমে উষ্ণ ও শেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিন। আগেই বলে নিয়েছি উষ্ণ ও ঠান্ডা পানির এই বিপরীত ব্যবহারে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।

৪/ ডিমের কুসুম ও অলিভ অয়েলের মাস্ক

ত্বকের (skin) জন্য ডিমের সহজ ৫টি ফেসিয়াল (facial) মাস্ক
এবার যে মাস্কের কথা বলছি, তা ত্বকে (skin) আদ্রতা জোগাতে কার্যকর। একটি ডিমের কুসুমের সাথে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার মাস্কটি মুখে ও ঘাড়ে ব্যবহার করুন। এভাবে ৫-১০ মিনিট রেখে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। ত্বকের পার্থক্যটা নিজেই বোঝতে পারবেন!

৫/ ডিমের সাদা অংশ, গমের আটা ও মধুর মাস্ক

এখন সর্বশেষ প্রাকৃতিক মাস্কের কথা জানিয়ে দিব। একটি ডিমের সাদা অংশের সাথে ১ টেবিল চামচ গমের আটা ও ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মাস্কটি মুখে লাগিয়ে, ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে নিন। এই মাস্ক ত্বককে(skin) কোমল ও মসৃন করে। নিজের মোলায়েম ত্বক(skin) দেখে এবার নিজেই মুগ্ধ হবেন!

আরো পড়ুন  মাত্র সাত দিনেই ফর্সা হতে ব্যবহার করুন এই ৭টি উপকরণ

প্রশ্নঃ কোন ওষুধ (medicine) খেলে পিরিয়ড বন্ধ করা সম্ভব?

উত্তরঃ ঠিক সময়ে পিরিয়ড (period) হলে ভাল. একান্ত প্রয়োজনে পিরিয়ড বন্ধ করতে চাইলে আপনি পিরিয়ডের ১ দিন আগে থেকে Menoral tablat খাবেন দৈনিক ৩ বা. Menoral tablet যতদিন খাবেন ততদিন আপনার পিরিয়ড(period) হবে না.তবে ঔষধ বন্ধ করার ১ দিন পর থেকে পিরিয়ড (period) শুরু হবে।

পিরিয়ডের(period) সময় কি ব্যায়াম করা যেতে পারে? কোন ধরনের ব্যায়ামগুলো পিরিয়ড(period) সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে?

এক্সারসাইজ আসলেই নারীদের পিরিয়ডের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে কিনা এই ব্যাপার নিয়ে অনেক মতবিরোধ আছে। এটা সত্যি যে বহু মহিলা খেলোয়াড় আছেন যাদের অ্যামেনোরিয়া (ঠিক বয়সে পিরিয়ড (period) না হওয়া)সমস্যা থাকে। আমাদের ধারণা যে পিরিয়ড (period) চলাকালীন সময়ে নিজেকে যতোটা পারা যায় গুটিয়ে রাখা ভালো। যেমন চুপচাপ শুয়ে বসে থাকা, হাঁটাহাঁটি না করা এবং দৌড়ঝাঁপ হয় এমন যেকোন কাজ থেকে বিরত থাকা। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা, পিরিয়ডের (period) ব্যথা কমাতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই, পিরিয়ড (period) চলাকালীন সময়ে প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। জগিং করতে পারেন, আবার বিছানায় শুয়ে দুই পায়ের নিচে বালিশ রেখে বিশ্রাম করুন। দেখবেন ব্যথা কমে যাবে। গবেষণায় ও ডাক্তারের মতামত অনুযায়ী বলা হয়েছে যে নিয়মিত এক্সসারসাইজ করলে পিরিয়ড সংক্রান্ত সমস্যা দূর করা যায়। যে ধরণের এক্সারসাইজ করবেন এক্সারসাইজ ১ সোজা হয়ে দাঁড়ান দুই হাত কোমরে রাখুন। একটা হাত দেয়ালের ওপরে রাখতে পারেন। এবার আস্তে আস্তে বামদিকে ঝুকুন, শুধু কোমর ভাজ করবেন। হাঁটু সোজা রাখবেন এবার ডান দিকে ঝুকুন। প্রতিবার আগের তুলনায় বেশি ঝোকার চেষ্টা করুন। ২০ থেকে ৩০ বার এক্সসারসাইজটি রিপিট করুন। এক্সারসাইজ ২ সোজা হয়ে দাঁড়ান এবার আস্তে আস্তে হাঁটু ভাজ করে বসার চেষ্টা করুন। তবে পুরো বসবেন না অর্ধেক বসে হাত পাশে রাখুন। এই অবস্থায় কিছুক্ষণ বসে থাকুন তারপর আবার দাঁড়ান ও হাত দুটো সামনে নিয়ে আসুন। এক্সারসাইজ ৩ সোজা হয়ে মাটিতে শুয়ে পরুন, হাত ও হাঁটু একদিম সোজা করে রাখুন। পেট যতটা সম্ভব ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা করুন নিঃশ্বাসের মাধ্যমে। শরীরের নিম্নাংশের মাসলগুলো শক্ত করার চেষ্টা করুন। কয়েক সেকেন্ড এইভাবে থাকুন তারপর রিলাক্স করুন। ৮ বার এক্সারসাইজটি (exercise) রিপিট করুন। এক্সারসাইজ ৪ সোজা হয়ে শুয়ে পরুন, এবার পা দুটোকে যতটা সম্ভব উপড়ে তুলুন। হাঁটু ভাঙবেন না, এবার ডান পা আরও ওপরে দিকে তুলুন এবং বাম পা নিচের দিকে নামান। পরের বার বাম পা ওপরে নিন দান পান নিচে রাখুন। এইভাবে ২০ থেকে ৩০ বার এক্সারসাইজটি (exercise) রিপিট করুন। জরুরী তথ্য পিরিয়ড (period) চলাকালীন সময়ে ব্যায়াম করবেন না। যে কোন ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *