মাত্র ১ মাসে জিরা খেয়ে ১৫ কেজি ওজন কমানোর সহজ উপায়

মাত্র ১ মাসে জিরা (Zira) খেয়ে ১৫ কেজি ওজন কমানোর সহজ উপায়!
জিরা একটি পরিচিত মসলার নাম, যা আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার (use) হয়। খাবার সুস্বাদু করা ছাড়াও জিরার আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিরার(Zira) এন্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের মেটাবলিজমের হার বাড়ায়। এটি আমাদের দেহের ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে।

পেটের মেদ কমাতে এটি খুবই কার্যকর। জিরা খাবার হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাকস্থলীতে গ্যাস জমতে বাধা দেয়। এটি শরীরে খারাপ চর্বি ও কলেস্টোরল তৈরিতে বাধা দেয়। জিরা (Zira) শরীরের মেদ কমায় ও হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া জিরাকে জাদুকরি মসলাও বলা হয়। কারণ মাত্র এক চামুচ জিরা (Zira) প্রতিদিন খেলে আপনার ওজন ১৫ কেজি কমে যেতে পারে! কী বিশ্বাস হচ্ছে না! তাহলে আসুন জেনে নিই, জাদুকরি জিরার মিশ্রণ কীভাবে আপনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

জিরার মিশ্রণ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহার (use) মিশ্রণ

(১) এক টেবিল চামুচ আস্ত জিরা (Zira) এক গ্লাস পানিতে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ওই পানি ফুটিয়ে নিন। পানি ছেঁকে এতে অর্ধেক লেবুর রস মেশান। এই পানি প্রতিদিন সকালে পান করুন একটানা ১৫ দিন। দ্রুত মেদ কমাতে এ মিশ্রণ অসাধারণ কাজ করে।

(২) এক চা চামুচ জিরার গুঁড়া ৫ গ্রাম টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। একটানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন এটি টকদইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খান। এক গ্লাস পানিতে তিন গ্রাম জিরা পাউডার এবং কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে পান করুন। সমপরিমাণ আদা ও সিদ্ধ গাজর কুচিয়ে নিন। আপনি চাইলে আরও দু এক পদের সিদ্ধ সবজি দিতে পারেন। এবার এসব

উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে এর মধ্যে অল্প জিরার (Zira) গুঁড়া, সামান্য লেবুর রস কুচানো আদা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। রাতে অন্যকিছু ভারী খাবার বাদ দিয়ে এই সালাদ খান।

আরো পড়ুন  যে অভ্যাস গুলোর কারণে নিজের অজান্তেই কমিয়ে ফেলছেন নিজের আয়ু

আপনি যেকোনো খাবারের সাথে জিরা এবং জিরার (Zira) গুঁড়ো ব্যবহার (use)  করতে পারেন। প্রথম দিকে একটু স্বাদে সমস্যা হলেও পরবর্তীতে স্বাদ ঠিক হয়ে আসবে এবং সেই সাথে আপনার দেহের মেদ কমা শুরু হবে। তাই চেষ্টা করে দেখুন। তবে জিরা (Zira) সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা থাকলে আপনার দেহে এই পদ্ধতি আপনার জন্য কতোটা সহায়ক তা জানতে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে পারেন। প্রতিদিন উল্লেখিত নিয়ম মেনে চললে দেখবেন দ্রুত আপনার ওজন স্বাভাবিকে এসেছে।

দাড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের কি কি ক্ষতি হয় জানলে জীবনেও এই কাজটি করবেন না
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন ?

বিজ্ঞান কি বলে?

-চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব (urine) করলে পুরুষের (male) যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেই।

-(১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারেনা। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বা্ড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে ।

(২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের (urine) দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

(৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব (urine) করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃ্ষ্টি হয় ।

(৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।

(৫) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই ।

(৬) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের (male) যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম ও তেনা তেনা হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষন পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায় ।

আরো পড়ুন  আপনার ফুসফুস এই উপায়ে সহজেই পরিষ্কার হবে

(৭) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব (urine) করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে ।

(৮) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব(urine) করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে ।

স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।
অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব(urine) করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।

“ওমর (রা:) বলেন- নবী(স:) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব(urine) করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি”। (তিরমীযি হাদীস/১২)
.
(সূত্র: পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে মুহাম্মদ (স:) – মাওলানা মো: আ: ছালাম মিয়া(হুমায়ুন)-পৃষ্ঠা-১৫১, পিস পাবলিকেশন)

মিলনের আগে মাত্র এক টুকরা মুখে দিন আর রাতভর করুন কোন প্রকার পতন ছাড়াই
আমরা একটু অসুস্থ হলেই ডাক্তারের কাছে যাই। কিছু রোগের জন্য তো একটি দীর্ঘ চিকিৎসা (treatment) চলে এবং বারবার হাসপাতালের চক্কর কাটতে হয় । কিন্তু পুরানো সময়ে এমন হতো না। মানুষ ঘরের উপায় থেকেই সবকিছু ঠিক করে নিত । এমনকি আজও আমরা ঠাকুমা দিদিমার টোটকার সম্পর্কে শুনতে পাই, কিন্তু তাদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য নেই আমাদের কাছে ।

আমাদের বাড়িতে রান্নাঘরে অনেক আশ্চর্যজনক মশলা পাওয়া যায়, যার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা জানি না। এখন শীতও চলে যাচ্ছে এবং অনেক রোগও দেখা দিতে পারে । এইজন্য আমরা আপনাকে ঘরোয়া মশলার টোটকা বলবো যা আপনাদের অনেক কাজে আসবে। আসুন দেখি কি কি সেই মশলা যা আপনাদের কাজে আসতে পারে ।রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত রসুন (Garlic) সম্পর্কে কথা বলছি । রসুনের প্রতিটি অংশ স্বাস্থ্যের জন্য একটি যাদু হিসেবে প্রমানিত হয়েছে । এই কারণে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জড়িবুটি এবং ওষুধ (medicine) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আরো পড়ুন  রাতে বিছানার পাশে লেবু রাখলে কী হয় জানেন?

সাধারণ রোগগুলিতে কার্যকরঃ

ফ্লু এবং শীতকালীন অনেক সাধারণ রোগে রসুন খুবই দরকারী। শীতকালে শিশুদের রসুনের মালাও পড়ানো হয় । মধু (honey) বা অন্যান্য খাদ্য উপাদানগুলির সাথে মিশিয়ে এটি শীতকালে খাওয়া হয় ।

খালি পেটে দারুণ কাজ করেঃ
রসুন খালি পেটে খেলে বেশী উপকারী। এটি খালি পেটে খেলে পাচক ব্যবস্থা ভাল হয় এবং ক্ষুধাও বৃদ্ধি করে। এমনকি যাদের যক্ষ্মার সমস্যা (টিবি) আছে তারা অনেক সুবিধা পেতে পারে খালি পেটে রসুন খেলে । এটিতে অম্লতা এবং ডায়রিয়া থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় ।

রসুন ব্যবহারে উচ্চ রক্তচাপের সমাধান করা হয়। এটিতে উপস্থিত অ্যালিসিন উপাদান রক্তচাপ কমায়। এটি অন্যান্য হৃদয়ের সমস্যার (problem) সমাধান করে। এটি যকৃত এবং মূত্রাশয়ের মসৃণ সঞ্চালনে সহায়তা করে।রসুনে অলৌকিক অ্যান্টিবায়োটিক শক্তি রয়েছে যা আপনার শরীরের রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি হৃদয় এবং লিভারের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের স্বাস্থ্যও সুস্থ রাখে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি জীবনযাত্রার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

রসুন কোষের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটা মস্তিষ্ক সংক্রান্ত সমস্যাগুলির (problem) ঝুঁকি হ্রাস করে, যেমন অ্যালজাইমারের মতো বিপদ থেকে রক্ষা করে ।রসুন দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। রসুন দাঁতের জীবানু, পচন এবং দাঁত ব্যথা থেকে পরিত্রাণ দেয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *