পা ফাটা দূর হবে মাত্র তিন উপায়ে শিখে নিন

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। পায়ের ত্বকের নিচের স্তরে চিড় ধরে ও ফেটে যায়। এ কারণে ব্যথা করে, জ্বালা করে, হাঁটতে সমস্যা হয়। কখনো তাতে সংক্রমণও হতে পারে। কিছু রোগের কারণে পা ফাটার প্রবণতা বেশি দেখা দেয়। যেমন: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, সোরিয়াসিস, একজিমা, ছত্রাক সংক্রমণ ইত্যাদি। স্থূল ব্যক্তিদেরও পা বেশি ফাটে। এ ছাড়া খুব ঠান্ডা শুষ্ক আবহাওয়া, খোলা জুতা বা স্যান্ডেল, জুতোর পেছন দিকে ঘর্ষণ, জুতা ঠিকমতো ফিট না করা ইত্যাদি এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

পা ফাটা দূর হবে মাত্র তিন উপায়ে শিখে নিন

শীত আসছে। এসময় অনেকেই পা ফাটার সমস্যায় ভুগে থাকেন। কারো কারো ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে হয়। অপুষ্টি, মানসিক চাপ, বার্ধক্য, ক্ষারযুক্ত সাবানের বেশি ব্যবহার, যত্ন না নেয়া ইত্যাদি কারণে পা ফাটার সমস্যা হয়। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে পা ফাটার সমস্যা সমাধান করা যায়। পা ফাটা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়-
গরম পানি-মধু

দুই লিটার হালকা গরম পানির মধ্যে দুই টেবিল চামচ মধু মেশান। এই পানির মধ্যে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি পা নরম করতে সাহায্য করে, পা ফাটা কমায়।

পা ফাটে কোন ভিটামিনের অভাবে,

নারিকেল তেল ও হলুদ

আরো পড়ুন  রসুন খেলে কি কি উপকার পাওয়া যায়

নারিকেল তেল ও হলুদের মিশ্রণ পা ফাটা কমাতে চমৎকার ঘরোয়া উপায়। এক চা চামচ হলুদ দেড় টেবিল চামচ নারিকেল তেলের মধ্যে মেশান। রাতে ঘুমানোর আগে মিশ্রণটি পায়ে মাখুন। নারিকেল তেলের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ারোধী ও নিরাময়কারী উপাদান। অপরদিকে হলুদের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী ও ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান। তবে মিশ্রণটি মেখে মোজা পরতে ভুলবেন না। না হলে পায়ে হলুদের দাগ থেকে যেতে পারে।

পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ

১) যাদের গোড়ালির চারপাশের ত্বক শুষ্ক।

২) যাদের গোড়ালির ত্বক একটু মোটা।

৩) দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয় যাদের।

৪) অতিরিক্ত ওজন হলে।

৫) জুতোর পেছনের অংশ খোলা হলে পা ছড়িয়ে পড়ে এবং গোড়ালিতে চাপ পড়ে পা ফেটে যায়।

আরো পড়ুন  বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Police Job Circular 2021

৬) বয়স বাড়ার কারণে ত্বকের পরিবর্তনে।

৭) দীর্ঘক্ষণ ভেজা পরিবেশে থাকলে বা স্যাঁতস্যাঁতে বাথরুম এ থাকলে।

৮) জুতোর সাইজ ঠিক না হলে।

৯) কিছু রোগের কারণে হতে পারে। যেমন – সোরিয়াসিস, অ্যাথলেট’স ফুট, একজিমা, থাইরয়েড ডিজিজ, ডায়াবেটিস।

১০) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

১১) ভিটামিন, মিনারেলস এবং জিঙ্ক এর অভাব হলে।

১২) শুষ্ক জলবায়ু।

১৩) নিষ্ক্রিয় ঘর্মগ্রন্থি।

পায়ের গোড়ালি ফাটার চিকিৎসা

ভিটামিন ই তেল

২০০ মিলিগ্রামের একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মাঝখান থেকে কাটুন। এবার এর মধ্য থেকে তেল বের করে পায়ে মাখুন। দুই পায়ের জন্য দু’টি ক্যাপসুল ব্যবহার করুন।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *