Breaking News
Home / প্রশ্ন উত্তর / খাদ্যে অরুচি কেন হয়? কি করে খাদ্যে রুচি বাড়ানো সম্ভব?
খাদ্যে রুচি

খাদ্যে অরুচি কেন হয়? কি করে খাদ্যে রুচি বাড়ানো সম্ভব?

প্রশ্নঃখাদ্যে অরুচি কেন হয়? কি করে খাদ্যে রুচি বাড়ানো সম্ভব?

উত্তরঃ খিদে পায় না, কিছু খেতে ইচ্ছে করে না বা খাবার রুচি নেই। মাঝেমধ্যে অনেকেই এমন সমস্যার কথা বলেন। কখনো সাধারণ জ্বর, সংক্রমণ, গ্যাস্ট্রিক আলসার বা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় খাবারের রুচি কমে যায়। আপাত এই ছোট সমস্যাটি হতে পারে বড় মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ। সাধারণ ভাইরাস জ্বরেও খাদ্যে রুচি কমে যায়। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করে বড় সমস্যা। এ সময় প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়, যা পরিমাণে কম হলেও যেন শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। তবে অরুচির সঙ্গে অন্য কিছু ঝুঁকিপূর্ণ উপসর্গ থাকলে শিগগিরই কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। কেননা কেবল অরুচিই হতে পারে বিভিন্ন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। খেয়াল রাখুন অরুচির সঙ্গে ওজন কমে যাচ্ছে কি না, রক্তশূন্যতা আছে কি না, দুর্বলতা, খাবার গিলতে সমস্যা, পেটের ব্যথা, দীর্ঘদিনের হজমে গোলমাল, পেটে বা শরীরের কোথাও চাকা ইত্যাদি রয়েছে কি না। এসব লক্ষণ থাকলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সহজপাচ্য ও মুখরোচক খাবার, ফল বিশেষত টক ফল যেমন আমড়া, বরই, আচার, লেবু ইত্যাদি খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র হলে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা উচিত। ধন্যবাদ আপু l

খাবার রুচি কমানোর কোন উপায় আছে কি?

খিদে পায় না, কিছু খেতে ইচ্ছে করে না বা খাবার রুচি নেই। মাঝেমধ্যে অনেকেই এমন সমস্যার কথা বলেন। কখনো সাধারণ জ্বর, সংক্রমণ, গ্যাস্ট্রিক আলসার বা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় খাবারের রুচি কমে যায়। আপাত এই ছোট সমস্যাটি হতে পারে বড় মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ। সাধারণ ভাইরাস জ্বরেও খাদ্যে রুচি কমে যায়। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করে বড় সমস্যা। এ সময় প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়, যা পরিমাণে কম হলেও যেন শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। তবে অরুচির সঙ্গে অন্য কিছু ঝুঁকিপূর্ণ উপসর্গ থাকলে শিগগিরই কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। কেননা কেবল অরুচিই হতে পারে বিভিন্ন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। খেয়াল রাখুন অরুচির সঙ্গে ওজন কমে যাচ্ছে কি না, রক্তশূন্যতা আছে কি না, দুর্বলতা, খাবার গিলতে সমস্যা, পেটের ব্যথা, দীর্ঘদিনের হজমে গোলমাল, পেটে বা শরীরের কোথাও চাকা ইত্যাদি রয়েছে কি না। এসব লক্ষণ থাকলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সহজপাচ্য ও মুখরোচক খাবার, ফল বিশেষত টক ফল যেমন আমড়া, বরই, আচার, লেবু ইত্যাদি খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র হলে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা উচিত। ধন্যবাদ আপু l

আরো পড়ুন  সর্দি বা ঠান্ডা রোধ করার উপায় কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *