শারীরিক মিলনে পূর্ণ তৃপ্তি লাভে স্বামীকে সাহায্য করুন

আমাদের দেশের মেয়েরা শারীরিক মিলনের (physical relation) সময় শুয়ে থাকা ছাড়া স্বামীকে তেমন কোন সাহায্য করে না। এই দেশের মেয়েরা মনে করে মিলনের সময় বিছানায় শুয়ে থাকা এবং মিলনের আনন্দ উপভোগ করাই তাঁর কাজ। এ সময় যা কিছু করার সব তাঁর স্বামীই করবে।

কিন্তু এই ধারণাটি ভুল। মিলনের সময় নারীকেও পুরুষের কাজে সাহায্য করতে হবে, স্ত্রীর সাহায্য ও সহযোগিতা ছাড়া মিলনে দু-জনের পুর্ণ তৃপ্তি আসবে না। শারীরিক মিলনের (physical relation)সময় নারী পুরুষকে অসহযোগিতা করলে নারীরই ক্ষতি। হয়তো পুরুষের তৃপ্তি হয়ে যাবে, কিন্তু এই মিলনে নারীর পরিপূর্ণ শারীরিক তৃপ্তি লাভ হবে না।

নারীদের শারীরিক মিলন (physical relation)কে আরও অধিক সুখ লাভ ও উপভোগ্য করতে তুলতে আমরা শারীরিক মিলনের (physical relation) সময় নারীর কিছু করনীয় বিষয় তুলে ধরেছি যা নারী তাঁর শারীরিক তৃপ্তি লাভের জন্য স্বামীকে সাহায্য করতে পারে। শারীরিক মিলনের পূর্ণতৃপ্তি লাভে স্ত্রী কিভাবে স্বামীকে সাহায্য করতে পারে জেনে নিন টিপস।

০১. পূর্ণতৃপ্তি লাভেঃ পূর্ণ তৃপ্তি সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্বামীকে জানাতে হবে ও নিজেও চেষ্টা করতে হবে, যাতে একই সময়ে দু’জনের তৃপ্তি ঘনিয়ে আসে। ০২. পতনঃ স্বামীর পতনের সঙ্গে নিজের পতন হয় বা একটু আগে নিজের পূর্ণ তৃপ্তি হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা বাঞ্ছনীয়।

০৩. লিঙ্গ নিস্তেজঃ স্বামীর অঙ্গ নিস্তেজ হওয়ার আগেই নিজের পূর্ণ তৃপ্তি ঘনিয়ে আনতে হবে। ০৪. নারীর উত্তেজনাঃ স্বামীর পতন হয়ে গেছে, অথচ স্ত্রীর উত্তেজনা তখন মাঝপথে , এরকম অবস্থায় স্বামীর দ্বারা বিভিন্ন উপচার প্রয়োগ করে নিজের পূর্ণ তৃপ্তি আনতে হবে। অথবা শারীরিক মিলনের (physical relation) সময় বাড়ানোর কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

আরো পড়ুন  লেবুর রস এবং মধু দিয়ে মেয়েদের যেকোন স্থানের লোম দূর করার উপায়

০৫. পূর্ণ তৃপ্তি আসনঃ পূর্ণ তৃপ্তির জন্যে যদি স্বামী স্ত্রীর কোন রকম বিশেষ আসন ভঙ্গি করতে মন চায় তাহলে পরস্পরের কাছে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করতে হবে। কোন কোন শারীরিক পজিশন ব্যবহার করে শারীরিক মিলনের (physical relation) অধিক সুখ লাভ করা যায়, সেসব আসন গুলো খুজে বের করতে হবে। তবে আমি আপনাকে সাত টি শারীরিক পজিশন ব্যবহার করার জন্য পরামর্শ দিবো। সাত জন নারী তাদের শারীরিক মিলনের (physical relation)পূর্ণ তৃপ্তি এই সাতটি শারীরিক পজিশন ব্যবহারের মাধ্যমে খুজে পেয়েছেন।

০৬. একই সময়েঃ মনে রাখতে হবে, নর-নারীর মিলনের চরম আদর্শ হলো পূর্ণতৃপ্তি। তাই একই সময়ে দু’জনের পূর্ণ তৃপ্তি হওয়া বাঞ্ছনীয়। ০৭. শেষ পর্যায়ঃ মিলনের শেষ পর্যায়ে যদি স্তন চোষণ, ভগাঙ্কুর মর্দন ইত্যাদির প্রয়োজন হয় তাহলে স্বামীকে জানিয়ে সেই মতে কাজ করতে হবে। অথবা ফিঙ্গারিং বা ফোরপ্লের সাহায্য নিতে হবে। এই ফোরপ্লের মাধ্যমে একজন নারী শারীরিক মিলন (physical relation) ছাড়াও শারীরিক আনন্দ উপভোগ করতে পারে। কিভাবে ফোরপ্লে প্রয়োগ করতে হয় তা স্বামীর জানা না থাকলে স্ত্রী স্বামীকে শিখিয়ে দিতে পারে।

বিবাহিত নারীদের পটাতে পুরুষের মারণাস্ত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য
আমাদের চারপাশে কিছু কিছু মানুষ (man) আছে যারা বেশ বাকপটু। অফিসের (office) কলিগ, পাশের বাসার ভাবি কিংবা বন্ধুর স্ত্রীদের প্রশংসায় মুগ্ধ করে তোলেন। মনে হতে পারে এগুলো শুধুই প্রশংসাবাক্য।কিন্তু এর গভীরে লুকিয়ে থাকে অসৎ উদ্দেশ্য। কী ধরনের প্রশংসাবাক্য এরা প্রয়োগ করে তার কিছু নমুন ফেসবুকে দিয়েছেন তাসফিয়া নামে একজন। তিনি লিখেছেন-

আরো পড়ুন  ছেলেরা কেন খাবেন কিসমিস জেনে নিন উপকারীতা

চরিত্রহীন কিছু পুরুষ (male) কীভাবে বিবাহিতা নারীদের পটিয়ে ফাঁদে ফেলেন। পড়ুন

১. ভাবি, আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র ইন্টারপাস করছেন!সিরিয়াসলি! – এ কথা শুনে ভাবি তো আহলাদে আট দু’গুণে ষোলখানা। একটু লজ্জা পেয়ে ভাবি বলেন, সেই সময় কি আর আছে, বয়স হয়েছে না! ২. আপু, একটা কথা বলবো অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু হ্যাজিটেশন করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়ে দিছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে! – আপু তো শুনে একদম কাত। বলেন, ‘অ্যাঁ সত্যি বলছেন। আপনি আসলে সমাঝদার লোক!

৩. মন খারাপ কেন ভাবি? ভাইয়া ঝগড়া-টগড়া করলো নাকি?… আপনার মতো এরকম একটা মানুষের (man) সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না! ভাবি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘বইলেন না, আপনার ভাই কোনোদিন বোঝার চেষ্টাই করলো না। ৪. একটা কথা বলি, কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার স্টাইলও (style) এরকম। টানা ২৪ ঘণ্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না! – একথা শুনে সুন্দর কণ্ঠওয়ালী তো আবেগে গদ গদ। বলেন, অ্যাঁ সত্যি বলছেন ভাই? এই শুনছো ( স্বামীকে উদ্দেশ্য করে), দেখো কি বলছে। তুমি বুঝলা না আমাকে।

আরো পড়ুন  সিজারের পর বাচ্চার যত্ন কিভাবে নিবেন?

৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? নাহ, আর নাহ! আন্টিতো স্কুলপড়ুয়া মেয়ে হয়ে যান। বলেন, ‘যা , আমারতো লজ্জা লাগছে। এভাবে কেউতো কখনো বলেনি, তাই! ৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়িতে আপনাকে দারুণ মানাইছে!…না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে! -শুনে একেবারে ভিজে গেলেন। হাসতে হাসতে বলেন, ‘আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক। ৭. জন্মদিনে কী কী করলেন আপনারা?….কি? ভাইয়ার অফিস? (office) ….কি যে বলেন!…. আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম!…হাইসেন না, সিরিয়াসলি! -শুনে তো থ। চোখ কপালে উঠে গেল। ধীরে ধীরে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘আমার ভাগ্যটাই খারাপ। আপনার মতন রোমান্টিক মানুষ (man) পেলাম না!

কিছু কিছু পুরুষ (male) আছে, যারা এভাবে কলিগ, ভাবি, বন্ধুর বউদের প্রশংসাবাক্যে প্রাণমন ভিজিয়ে ফেলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো ‘জাস্ট প্রশংসাবাক্য’। কিন্তু এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল না করলে বোঝার উপায় নেই।

মূলত এখান থেকেই শুরু হতে নষ্টামির পথে অনন্ত যাত্রা! আর যারা এগুলো করে, এরা কিন্তু ফাঁদে ফেলবার জন্যেই করে! এদের স্বভাবই হলো ফ্লার্ট করে নিজের বশে আনা! খুব স্মার্ট সুদর্শন পুরুষ (male) দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীরাও এরকম ফ্লার্ট করে। এরা এসব পুরুষের (male) মুখে প্রশংসাবাক্য শোনার জন্যই উদগ্রিব হয়ে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *