মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়

মুখ ও গলার কালো দাগ (spot) দূর করার ২টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়!

গলা ও ঘাড়ের কালচে দাগ (spot) । গলা ও ঘাড়ের ত্বকটা সুন্দর না হলে বড় গলার পোশাক পরতেও অস্বস্তি হয়। অকারণেই মুখে কালো কালো দাগ হয়। অনেকের আবার সমস্ত মুখটাই দিন দিন কালচে হয়ে যেতে থাকে। আর গলায় কালো দাগ (spot) হওয়া তো খুবই কমন একটি সমস্যা (problem)। চিন্তা করবেন না, এবার এই কালো দাগ সম্পূর্ণ দূর হয়ে যাবে আপনার জীবন থেকে। জেনে নিন ২টি অসাধারণ সহজ উপায়, যেগুলো অবলম্বন করতে মোটেও বাড়তি কোন খরচ নেই।মুখের কালচে ভাব ও গলার দাগের জন্য –

যাদের সম্পূর্ণ মুখটাই কালচে হয়ে গিয়েছে আর গলায় দেখা যাচ্ছে বিচ্ছিরি কালচে দাগ (spot) , তাঁদের জন্য অল্প খরচে এই ফেসমাস্কটি দারুণ কাজে আসবে।

প্রয়োজন মাত্র ৪টি উপাদান।

১ ভালো কোয়ালিটি চন্দনের গুঁড়ো

২ গ্লিসারিন

৩ গোলাপ জল ৪ লেবুর রস।

চন্দনের গুঁড়োর সাথে বাকি ৩টি উপাদান মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট মুখে , গলায়, হাতে মেখে রাখুন ২০ মিনিট বা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। সাধারণ পানি দিয়ে মুখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ দিন অবলম্বন করুন। ১ সপ্তাহের মাঝেই ফলাফল দেখতে পাবেন।

কালো স্পট দূর করতে –

ব্রণ হোক বা যে কারণেই হোক, অনেকের মুখেই ফুটকি ফুটকি কালো দাগ (spot)  দেখা যায়। এগুলো দূর করার জন্য ওপরের ফেসমাস্কটি তো ব্যবহার করতে পারেনই, তবে এই পদ্ধতি আরও অনেক বেশী কার্যকর।

আরো পড়ুন  স্থায়ীভাবে ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে ৬টি ঘরোয়া পদ্ধতি

প্রয়োজন মাত্র ২টি উপাদানঃ

১ পেঁয়াজের রস

২ রসুনের রস।

সমান সমান পরিমাণ পেঁয়াজ ও রসুনের রস মিশিয়ে নিন। তারপর আঙ্গুল দিয়ে কালো দাগ (spot) গুলোতে লাগান। তারপর ১৫ মিনিট রাখুন। গন্ধ সম্পূর্ণ চলে না যাওয়া পর্যন্ত পানি দিয়ে ধুতে থাকুন। এটা রোজ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ বার অবশ্যই ব্যবহার করবেন।

ময়েশ্চারাইজারঃ ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, ২টি ভিটামিন ই ক্যাপ, ১ চা-চামচ কাঠবাদাম তেল ভালোভাবে মিশিয়ে তৈরি করে নিন ময়েশ্চারাইজার। এই ময়েশ্চারাইজারটি প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিতে হবে। এভাবে নিয়মিত যত্নে গলা ও ঘাড়ের পোড়া ভাব অথবা কালো ভাব ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে অনেকটা কমে আসবে। শীত প্রায় চলে এসেছে। শুষ্ক আবহাওয়া এবং বাইরে প্রচুর ধুলাবালু, তাই মসৃণ সুন্দর দাগহীন (spot) ঘাড় পেতে শুধু বাহ্যিক যত্নই নয়, খেতে হবে প্রচুর পরিমাণ পানি ও শাকসবজি। মুখে ক্রিম (cream) লাগানোর সময় গলাতেও ক্রিম (cream) লাগাতে হবে নিয়মিত। নিচে থেকে ওপরের দিকে মালিশ করার মাধ্যমে ক্রিম (cream) লাগাতে হবে। এতে করে গলায় ভাঁজ বা বলিরেখা পড়বে না।

সতী বা কুমারী মেয়ে (girl) চেনার সহজ উপায়! (আগে বিস্তারিত পড়ুন পরে মন্তব্য করুন)

আরো পড়ুন  ত্বকের কুচকানো ভাব ও বয়স এর ছাপ দূর করার অসাধারন টিপস

পরিবর্তন মানুষের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। জন্মের পর কৈশোরে পদার্পন থেকে বিয়ের আগ পর্যন্ত একটা মেয়ের (girl) শারীরিক গঠন যে রকম থাকে বিয়ের পরে সেটা আর সেরকম থাকে না।

শারীরিক প্রয়োজনেই পরিবর্তন হয়ে যায় সব। বিয়ের আগে অনেক পুরুষই কুমারী মেয়ে (girl) চেনা নিয়ে উদ্বেগে থাকেন। অনেকে আবার অক্ষত মেয়ে না পেলে তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে ফেলেন। তাদের অবগতির জন্য আমাদের আজকের আয়োজন। আসুন জেনে নিই কুমারী মেয়ে চেনার উপায়। আগেই বলে রাখি কুমারী মেয়ে চেনার জন্য সাধারণত তেমন কোন লক্ষণ নেই। তবে মেয়েদের গোপনাঙ্গ এবং স্তন দেখে মোটামুটি কুমারী মেয়ে চেনা যায়। তবে অনেক মেয়ের বংশগতভাবেই স্তন বড় থাকে। এমনও ঘটনা দেখা গেছে যে, একটি মেয়ের (girl) স্তন বেশ বড়, কিন্তু কোন ছেলেকে চুম্বন করা তো দূরের কথা, কখনো ছুয়েও দেখেনি।

তার মানে কী এই দাড়াঁবে যে, মেয়েটি (girl) কুমারীত্ব হারিয়েছে? মোটেই নয়। আবার এমনও ঘটনা রয়েছে যে, কোন মেয়ে (girl) তার জীবনে প্রথম সহবাস করেছে, কিন্তু কোন রক্তপাত হয়নি। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, আপনার আগে কোন পুরুষ তার কুমারীত্ব নিয়েছে। তবে আসলেই কুমারী মেয়ে (girl) চেনার তেমন কোন লক্ষণ নেই। তবুও নিম্নে স্তন এবং গোপনাঙ্গ দেখে ভার্জিন মেয়ে চেনার কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলোঃ

স্তনঃ

১. স্তন ছোট হবে। ২. চ্যাপ্টা হবে, গোল নয়। ৩. দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়। ৪. স্তনের বোটার চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে।

আরো পড়ুন  শীতে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ফেসপ্যাক

৫. নিপলের আকার ছোট হবে। সিউডোভারজিন বা নকল কুমারীঃ অনেক সময় অনেক মেয়ের (girl) কয়েকবার শারীরিক মিলনের পরেও হাইমেন বা সতীচ্ছদ অক্ষত থাকে। এদের সিউডোভারজিন বা নকল কুমারী বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম।

গোপনাঙ্গঃ

১. ল্যাবিয়া মাইনরা অর্থাৎ ভিতরের পাপড়িও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে এবংল্যাবিয়া মেজরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই। ল্যাবিয়া মেজরা না সরালেদেখা যাবে না। ২. ল্যাবিয়া মেজরা অর্থাৎ বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে এক সাথে লেগে থাকবে এবং গোপনাঙ্গ মুখ দেখা যাবে না। ৩. হাইমেন অর্থাৎ সতিচ্ছদ অক্ষত থাকবে। যদিও অনেক কারনেই ছিঁড়ে যেতে পারে। এটি ছিঁড়লে সাধারণত রক্তক্ষরণ হয়।

৪. গোপনাঙ্গ পথ সরু এবং ভিতরের ভাঁজগুলি কম মসৃণ হবে। ভাজ অনেক বেশি হবে। ৫. ক্লিাটোরিস বা ভগাঙ্কুর খুব ছোট এবং এর আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে। ৬. ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে। তবে যেসব মেয়ে (girl) বেশি খেলাধুলা/ শরীরচর্চা করে, সাইকেল/ মোটরসাইকেল চালায়, ঘোড়ায় চড়ে এবং হস্তমৈথুন করে তাদের হাইমেন বা সতীচ্ছদ ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মূলত এভাবেই একটা মেয়ের (girl) কুমারীত্ব চিহ্নিত করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *