মুখমন্ডলে সপ্তাহে মাত্র একবার মাখলেই বয়স কমবে ১০ বছর

মুখমন্ডলে সপ্তাহে মাত্র একবার মাখলেই বয়স কমবে ১০ বছর!

মুখে বলিরেখা ও কুঁচকানো ভাব কেউই পছন্দ করে না। কিন্তু বয়স (age) বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবারই মুখে ভাঁজ পড়ে। কারোর বয়স হয়েছে এটা থেকে সহজেই বোঝা যায়। কেউ এটা থেকে রক্ষা পান না। বয়সের ছাপ কমাতে অনেকে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কিন্তু এতে অনেক সময় হিতে বিপরীত হয়।

তবে আপনার ত্বক (skin) আরো উজ্জ্বল ও প্রাণদীপ্ত করতে বিশেষজ্ঞরা গোপন একটি রহস্যের কথা বলেছেন, যেটা জাপানি নারীরা করে থাকেন। আপনি হয়তো দেখবেন- বয়স বাড়লেও জাপানি নারীরা বুড়িয়ে যান না। তাদের চির তরুণীর মতো লাগে, টাইট ত্বকে (skin) ছড়িয়ে পড়ে সৌন্দর্যের আভা।

এ পদ্ধতি মানলে মাত্র এক সপ্তাহে আপনিও জাপানি নারীদের মতো হবেন প্রাণবন্ত এবং পেতে পারেন ‘চির যৌবন’। এ জন্য আপনাকে বেশি অর্থ বা উপাদান দরকার হবে না। চায় শুধু ভাত। আপনার ত্বক (skin) আরো উজ্জ্বল ও কুঁচকানো ভাব দূর করতে কাজে দেবে ভাত। আপনার ত্বককে সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার করবে এবং মুখে থাকা কালো দাগ দূর করে সতেজতা বাড়াবে ভাতের উপাদান।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভাতে প্রচুর পরিমাণ লাইনোলিক অ্যাসিড থাকে। এতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাউডারও বিদ্যমান। লাইনোলিক অ্যাসিড ত্বকের (skin) কোষে কোলাজেন উৎপাদন করে। এটা আপনার ত্বকে (skin) ভাঁজ পড়া ও কুঁচকে যাওয়া রোধ করে আপনাকে তরুণী করে তোলে। সপ্তাহে একবার করে মাখলে আপনার ১০ বছর বয়স কমবে!

যেভাবে উপাদানটি তৈরি করবেন?
তিন টেবিল চামচ ভাত মধ্যম গরমের এক কাপ পানির মধ্যে ঢালুন। দুই থেকে তিন মিনিট সেখানে রাখুন। এপর নাড়ুন। এর সঙ্গে এক টেবিল চামচ দুধ ও মধু যোগ করুন। এগুলো ভালো করে মেশান এবং মুখমণ্ডলে ওই উপাদান ভালো করে লাগিয়ে দিন। এটা না শুকানো পর্যন্ত ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে মুখমণ্ডল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করুন দেখবেন- আপনি দিন দিন বুড়িয়ে যাওয়া নয়, আরো তরুণী হয়ে উঠছেন।

আরো পড়ুন  ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে পাবার ৪টি গোপন কৌশল

প্রশ্ন: একটা মেয়ের কত বছর বয়সে বিয়ে করা উচিত? বা মেয়েদের বিয়ের বয়স (age) কত হলে ভাল এবং কেন ?

একটা ছেলের থেকে মেয়ের (girl) মানষিক চিন্তাধারা, বাস্তবতার জ্ঞান ইত্যাদি আগে হয় যার কারণে মেয়েদের বিয়ে ছেলেদের আগে হওয়ার কারণ হয়। জানামতে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর বিয়ে ৯ বছর, হযরত ফাতিমা (রাঃ) বিয়ে ১৫ বছর বয়সে (age) এবং তাদের তারা সুখী ছিলো। তাই বর্তমান সময় অনযায়ী মেয়ের বিয়ে ১৪-১৫ থেকে ৩০ ভিতর হওয়াই ভালো।

এর ভিতর আবার অনেক বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন: ১৪-১৫ বছর বয়সে (age) গর্ভধারণ করতে পারবে কিনা। যা অনেকসময় মেয়েটির (girl) মৃত্যুর কারণ হয়।

তারপর মেয়ে (girl) সংসার ভালো সামলাতে পারবে কিনা। এক্ষেত্রে হয়তো দেখা যায় অনেক স্বামী তার ১৪-১৮ বছরের অল্প বয়সের (age) স্ত্রীর কাছে ২১ থেকে বেশি বয়সের স্ত্রীর মতো আচরণ, কাজকর্ম ইত্যাদি আশা করে। যা সমস্যা কারণ হয়।

আরো পড়ুন  শুষ্ক ত্বক ঠিক করতে ৫টি ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার

আবার অনেকের এসব বিষয়ের ক্ষমতা ১৪-১৫ বছর বয়সে (age) অর্জন করে যার কারণে তারা সুখী হয়।

এরপরের বিষয় মেয়ের (girl) পড়ালেখা । অনেক মেয়ের পড়ালেখা অনেক ভালো। সে ভালো ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার বা ভালো কিছু হয়ে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে চায়। এক্ষেত্রে তার পড়ালেখা নষ্ট করে বিয়ে না দেওয়াই ভালো। আবার, বিয়ে দেওয়াও যায়। অনেক স্বামী এবং তার ফ্যামিলি বিয়ের পরও পড়ালেখা করতে দেয় যারা স্ত্রীর পড়ালেখা অনেক গুরুত্ব দেয় এক্ষেত্রে যথেষ্ট যত্ন নেয় এবং তারা অনেক সচেতন। তাই এই বিষয় মাথায় রেখে বিয়ের বিবেচনা করতে হবে।

এরপর আসে মেয়েটির (girl) মন মানষিকতার উপর। সে এখন বিয়ে করতে রাজি কিনা? এক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ না করাই ভালো। চাপ প্রয়োগ করতে হবে তখন যখন মেয়েটি ইচ্ছে করে সময় নষ্ট করে। কোনো বাজে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বাজে কাজ করে ইত্যাদি। তাই মেয়ের মানষিকতা দেখতে হবে। তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া যাবে না। তার পছন্দ ও মতামতের প্রাধান্য দিতে হবে।

তারপর আসে মেয়েটি (girl) সৌন্দর্য, রূপ-লাবণ্যতা। যা একটা নির্দিষ্ট বয়স (age) পর নষ্ট বা শেষ হওয়া শুরূ হয় । তাছাড়া একটি ছেলের জন্য মেয়ের সৌন্দর্য রূপ লাবন্যের গুরুত্ব অনেক। কারণ একজন ভাগ্যবান ছেলে সুন্দরী স্ত্রী থাকে। যদিও অনেকে বলে তাহলেতো শুধু মেয়েটির (girl) রূপ দেখেই বিয়ে করা হলো, তার মন দেখে না। কারণ, রূপ বেশি দিন থাকে না, মন থাকে সারাজীবন। আমি বলি যতদিন রূপ থাকে ততদিনই এর গুরুত্ব থাতে কারণ একটা বয়স (age) পর্যন্ত রূপের চাহিদা থাকে এরপর আর থাকে না বলে এই সময় রূপ ও থাকে না। যা আল্লাহ মানুষকে ঐ সিস্টেমে ঐ নিয়মে মানুষের সুবিধা অনুযায়ী করেছে। তবে সবক্ষেত্রে এমন হবে কথা নেই কারণ কালো মেয়েও (girl) থাকে। আবার কালো মেয়ের আলাদা রূপ মায়া সৌন্দর্য থাকে। আর মেয়েদের এই রূপ স্বামীদের জন্য উপহারও বলা চলে। তাই মেয়েদের রূপ লাবন্যের দিক খেয়াল রাখতে হবে। নয়তো ছেলেরা আর বিয়ে করতে চাইবে না যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হয়। আবার অনেক ছেলে আছে রূপকে প্রাধান্য দেয় না, তারা মনকে প্রাধান্য দেয় তবে তাদের সংখ্যা কম। তাই স্বাভাবিক ভাবে এসব কথা মনে রাকতে হবে।

আরো পড়ুন  স্থায়ীভাবে মুখের কালো দাগ দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায় জানুন

এরপর আসে গর্ভধারনের বিষয় । অনেকে দেরিতে বিয়ে করে বা আশা করে । যা তাদের পরবর্তীতে গর্ভধারনে সমস্যা করে । কারণ এ সময় দেখা যায় হয়তো সে মা হবার ক্ষমতা হারায় বা সহজে মা হতে পারে না। ঐ সময় বুঝে মা হতে না পারা কত কষ্টের বা স্বামীকে বাবা না হতে দেবার পারা অনেক ঝামেলার ।যা সংসারে অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করে আর অনেক ক্ষেত্রে তা ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়।

এছাড়াও আরো অনেক বিষয় মাথায় রেখে সুবিধামতো বয়সে (age) মেয়েদের (girl) বিয়ে করা উচিত।

বি:দ্র: আমার মতামত নাও ভালো লাগতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *