মুখে মধু মাখলে কি হয়

আমাদের অনেকেরই জানা নেই যে মধু (honey) ত্বক পরিষ্কারের ক্ষেত্রে অনেক ভালো কাজ করে। মধু যেভাবে ত্বক পরিষ্কার করে তার তুলনায় দোকানে প্রাপ্ত ত্বক পরিষ্কারক রাসায়নিক দ্রব্যগুলোর কোন তুলনাই চলে না।

মুখে মধুর প্রলেপ দিয়ে কিছুক্ষন রেখে ম্যাসেজ করে খুব সহজেই ত্বক (skin) পরিষ্কার করা সম্ভব যদিও অনেকেই এই আঠালো তরলটি ব্যবহার করতে অনীহা প্রকাশ করেন। সেক্ষেত্রে চাইলে আগে মুখটা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিলে এতোটা অস্বস্থি লাগে না। ভালো ফল পেতে মাঝে মাঝে আগে মুখে স্ক্রাব করে নিয়ে এটি লাগাতে পারেন। তবে মুখে মধু(honey) ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি অপরিশোধিত মধু ব্যবহার করা হয়।

ত্বক পরিষ্কারে মধু (honey) ব্যবহারের রয়েছে অনেক উপকারিতা। এখানে উল্লেখযোগ্য কিছু দেয়া হলো:

অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুনাগুন: ব্যাকটেরিয়া ত্বকের (skin) রোমকূপ গুলোকে বন্ধ করে দেয়। মধুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুনাগুনের জন্য এটি ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ত্বকের জন্য একটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

ক্ষত নিরাময়ে: মধুর নিরাময় যোগ্য গুনাগুন রয়েছে। ত্বকে মধু (honey) মাখলে তা বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা বা কেটে যাওয়া ক্ষত সারাতে পারে।

আর্দ্রতা ধরে রাখতে: মধু দিয়ে নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলে তা ত্বকের শুষ্কতা প্রতিরোধ করে আর্দ্রতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

প্রদাহ বিরোধী গুনাগুন: মধুতে রয়েছে প্রদাহ বিরোধী গুনাগুন। মধু (honey) দিয়ে নিয়মিত ত্বক (skin) পরিস্কার করলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ব্রণ ইত্যাদি খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠে।

ত্বকের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ: অনেক ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে মধু(honey) দিয়ে নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলে ত্বক (skin) হয়ে উঠে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যবান।

ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে: মধুতে(honey) থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পরতে বাধা দেয়।

ব্রণ দূরীকরণে: যেহেতু মধু ব্যাকটেরিয়া ধবংস করে তাই এটি ত্বকে ব্রণ হওয়ার সমস্যাও দূর করতে পারে। তাই মধু দিয়ে নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলে ত্বকে (skin) থাকা ব্রনের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

তাই দেরি না করে আজ থেকেই শুরু করুন মধু (honey) দিয়ে ত্বক পরিষ্কারের কাজ। কারন রাসায়নিক পদার্থ সম্বলিত ত্বক পরিষ্কারক ব্যবহার ত্বকের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি ব্যয়বহুলও। মধু দিয়ে নিয়মিত ত্বক (skin) পরিস্কার মাধ্যমে ত্বককে করে তুলুন সতেজ ও স্বাস্থ্যোজ্বল।

আরো পড়ুন  চিরতরে ঘাড়ের বিশ্রী কালো দাগ দূর করুন ঘরোয়া ৫টি উপায়ে

শারীরিক মিলনের (physical relation) সময় নারীরা উফ আহ শব্দ করে কেন? জানুন

কোন নারী সর্বপ্রথম যদি সংঘম বা শারীরিক মিলন করে থাকে সেটা স্বভাবিকভাবেই একটু ব্যাথা দায়ক হবেই। এই ব্যাথাটা সাময়িক পরবর্তীতে শারীরিক মিলনকালে এমন আর না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রথম শারীরিক মিলনে নারীর হাইমেন ছিঁড়ে যাওয়ার জন্য এ সময় অলিরিক ব্যথা অনুভূত হয় এবং অনেক মেয়েরাই উফ আহ শব্দ করে।

শারীরিক মিলন একটি আনন্দময় অভিজ্ঞতা। কোন সমস্যা না থাকলে শারীরিক মিলনে (physical relation) ব্যথা পাবার ঘটনা ঘটে না। প্রথম শারীরিক মিলনের সময়েই একটু ব্যথার অনুভূতি হবে। এটা বাদ দিলে সুস্থ ও সাধারণ শারীরিক মিলনে ব্যথা বা ভয়ের কিছুই নেই।

শারীরিক মিলনের শেষ পর্যায় হচ্ছে অরগাজম বা চরম তৃপ্তি। নারীদের জন্য অরগাজম একেবারেই অন্য রকম একটা অনুভব। আপনার পরিচিত অন্য কোন অনুভবের সাথে এটার মিল খুঁজে পাবেন না। পুরুষের চাইতে নারীর অরগাজমটা একটু ভিন্ন। পুরুষ যেমন বীর্যপাতের কয়েক মুহূর্ত আগে টের পান, নারীর ক্ষেত্রেও তাই। শারীরিক মিলনের (physical relation) সময় অরগাজম হবার কয়েক মুহূর্ত আগেই বুঝতে পারবেন যে চরম মুহূর্ত উপস্থিত হতে যাচ্ছে। আপনার হার্ট বিট বেড়ে যেতে শুরু করবে, মুখে রক্ত জমবে, কেউ কেউ ঘামতেও শুরু করবে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে যাবে। এ জন্য আপনা আপনি ঘন ঘন শ্বাস নিতে হয়? এ সময় অনেক মেয়েরাই নারীরা উফ আহ শব্দ করে।

তবে কেউ ব্যাথা তে করে আবার কেউ মিলনের সময় কোন কারন ছাড়া শারীরিক (physical) আনন্দ বৃদ্ধির জন্য শব্দ করে।

আরো পড়ুন, ক্যান্সার (cancer) চিকিৎসায় কেমোথেরাপি কতটা কাজে লাগে?

ক্যান্সারের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় কেমোথেরাপি একটি বহুল ব্যবহৃত চিকিৎসা পদ্ধতি।কেমোথেরাপি এমন এক ধরণের চিকিৎসা যার মাধ্যমে ক্যান্সারের সেলগুলোকে ধ্বংস করা হয় এবং সেগুলোর বিস্তার থামানো হয়।তবে সব ধরনের ক্যান্সারের (cancer) জন্য এক ধরণের চিকিৎসা প্রযোজ্য নয়।বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার (cancer) সেল বিভিন্ন ধরণের ঔষধে সাড়া দেয়।কেমোথেরাপির সর্বোচ্চ ভালো ফলাফলের জন্য আট ধরনের ঔষধের সমন্বয়ে ঘটানো হয়।কেমোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা উন্নত করার জন্য চিকিৎসকরা নতুন ধরণের ঔষধের সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করছেন।অধিকাংশ সময় কেমোথেরাপির কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু আধুনিক কিছু কেমোথেরাপি সামান্য সমস্যা তৈরি করে।

আরো পড়ুন  দাগমুক্ত ফর্সা ত্বক পেতে ব্যবহার করুণ মধুর কিছু ফেসপ্যাক

কখন কেমোথেরাপি দেয়া হয়?

কেমোথেরাপির ঔষধ রক্তের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করানো হয়। এটি তখন পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।ফলে ক্যান্সারের সেল যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই ধ্বংস হবে। কেমোথেরাপি তখনই দেয়া হয়, যখন ডাক্তাররা মনে করেন যে, ক্যান্সারের(cancer) সেল শরীরের একাধিক জায়গায় আছে।

ক্যান্সার যদি শনাক্ত করা না যায়, তখন এর কিছু সেল মূল টিউমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আশেপাশের অংশে আক্রমণ করে।অনেক সময় ক্যান্সার সেল অনেক দূর পর্যন্ত যায়। যেমন লিভার কিংবা ফুসফুসে গিয়ে ছড়াতে থাকে। একজন চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্যান্সার (cancer) টিউমারের এবং তার আশপাশের টিস্যু কেটে ফেলতে পারেন। রেডিওথেরাপির মাধ্যমেও ক্যান্সার সেল ধ্বংস করা যায়। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট ছোট জায়গায় রেডিও থেরাপি দেয়া যায়। তবে এর মাধ্যমে শরীরের সুস্থ কোষগুলো নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

ক্যান্সার আক্রান্ত অংশ ফেলে দেবার পর সেখানে যদি আরো ক্ষতিকারক ক্যান্সারের (cancer) কোষের সম্ভাবনা থাকে তখন কেমোথেরাপি দেয়া হয়। কিছু কিছু ক্যান্সার, যেমন লিউকেমিয়ার চিকিৎসার জন্য কেমোথেরাপি দেয়া হয়। কারণ লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হলে সেটি পুরো শরীরে ছড়িয়ে যায়।অনেক সময় অস্ত্রোপচারের আগেও কেমোথেরাপি দেয়া হয়। ক্যান্সার টিউমারের আকার ছোট করার জন্য এটি করা হয়। টিউমারের আকার ছোট হয়ে আসলে চিকিৎসকের জন্য সেটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ফেলে দেয়া সহজ হয়। অনেক সময় ক্যান্সার(cancer) নিরাময়যোগ্য না হলেও কেমোথেরাপি দেয়া হয়। এর মাধ্যমে রোগীর শরীরে কিছুটা ভালোভাবে তৈরি হয়।

কেমোথেরাপি কিভাবে কাজ করে?
ক্যান্সার সেলের জন্য কেমোথেরাপি হচ্ছে এক ধরণের বিষ।এতে ক্যান্সার (cancer) সেল ধ্বংস হয়। এটাকে বলা হয় সাইটোটক্সিক কেমিক্যাল।তবে মনে রাখা দরকার যে জিনিসটিকে শরীরের ক্যান্সার সেলের জন্য বিষাক্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, সেটি শরীরের সুস্থ-স্বাভাবিক কোষকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।কেমোথেরাপি এমন একটি জিনিস যেটি শরীরের ক্ষতিকারক ক্যান্সার কোষগুলোকে যতটা সম্ভব খুঁজে বের করে ধ্বংস করে এবং ভালো কোষগুলোকে যতটা সম্ভব কম ধ্বংস করে।

কেমোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসকরা এখন অনেক বেশি সাফল্য পাচ্ছেন, কারণ এর মাধ্যমে শরীরের ক্যান্সার কোষ এবং এর আশপাশের ভালো কোষগুলোকে চিহ্নিত করে আলাদা করা যাচ্ছে। শরীরের ক্যান্সার কোষ এবং সুস্থ কোষের মধ্যে একটি মৌলিক পার্থক্য আছে।ক্যান্সার কোষগুলো দ্রুত বিচ্ছিন্ন হয়ে পুনরায় ক্যান্সার কোষ তৈরি করে।

অন্যদিকে সুস্থ কোষগুলো ক্যান্সার (cancer) কোষের মতো দ্রুত আলাদা হয় না এবং বিস্তার লাভ করে না।ক্যান্সার কোষগুলো যেহেতু দ্রুত বিস্তার লাভের মাধ্যমে নতুন কোষ তৈরি করে সেজন্য টিউমার তৈরি হয়। শরীরের যে স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে সেটি ক্যান্সার কোষ আক্রমণ করেন না। কারণ ক্যান্সার কোষ শরীরের ভেতরেই তৈরি হয়। ফলে শরীরের ভেতরকার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্যান্সারকে (cancer) বাইরে থেকে আসা কিছু মনে করে না। কিছু কেমোথেরাপি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এমনভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা করে যাতে ক্যান্সার কোষগুলোকে বাইরে থেকে আসা কোষ হিসেবে দেখে এবং সেগুলোকে আক্রমণ করে।

আরো পড়ুন  ত্বকের যত্নে মধু

কেমোথেরাপি কীভাবে দেয়া হয়?
সাধারণত ইনজেকশনের মাধ্যমে কেমোথেরাপি শিরায় প্রবেশ করানো হয়।অনেক সময় স্যালাইন যেভাবে দেয়া হয়, কেমোথেরাপিও সেভাবে দেয়া হয়। এতে করে ঔষধ কিছুটা পাতলা হয়ে আসে। কোন রোগীকে যদি অন্য ঔষধও নিতে হয় তখন তার শিরায় একটি ইনজেকশনের টিউব রেখে দেয়া হয়। যাতে করে বিভিন্ন ধরনের ঔষধের জন্য বারবার সেটি খুলতে এবং লাগাতে না হয়। এতে করে রোগীর অস্বস্তি কম হতে পারে।

অনেক সময় শরীরের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নির্দিষ্ট পরিমাণ কেমোথেরাপি দিতে হয়। ক্যান্সার (cancer) আক্রান্ত জায়গাটিতে কেমোথেরাপি সরাসরি প্রয়োগ করা হলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম হতে পারে। কেমোথেরাপি কতদিন চলবে সেটি নির্ভর করে ক্যান্সারের(cancer) ধরণের উপর। কিছু কেমোথেরাপি ১৫দিন পরপর দেয়া হয়। আবার কিছু দেয়া হয় এক মাস পরপর।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কেমন হয়?
কিছু কেমোথেরাপি যেহেতু দ্রুত বর্ধনশীল ক্যান্সার (cancer) কোষকে আক্রমণ করে, সেজন্য এর মাধ্যমে ভালো কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনাও থাকে। শরীরের যেসব কোষ চুলের সাথে সম্পৃক্ত সেগুলো আক্রান্ত হতে পারে কেমোথেরাপির মাধ্যমে। সেজন্য কেমোথেরাপি চলার সময় চুল পড়ে যায়। অবশ্য কেমোথেরাপি শেষ হবার পর চুল পুনরায় গজিয়ে উঠে। কেমোথেরাপির ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং ডায়রিয়া হতে পারে। অন্যদিকে শরীরের রক্তকোষ কেমোথেরাপির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রক্তের লাল কোষ অক্সিজেন বহনের মাধ্যমে অন্য কোষগুলোকে জীবিত রাখে। অন্য রক্ত কোষগুলো সংক্রমণ ঠেকাতে সহায়তা করে।এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবার কারণে কেমোথেরাপি নেয়া ব্যক্তির সংক্রমণের আশংকা থাকে। কেমোথেরাপি নেয়া ব্যক্তি সাংঘাতিক ক্লান্তিতে ভুগতে পারে। কেমোথেরাপির কারণে নারী এবং পুরুষের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কেমোথেরাপির কারণে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু জমে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *