মেয়েদের মাসিকের সময় বেশি রক্ত যাওয়া কি খারাপ?

প্রতিদিনই আমাদের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে।সময়মত সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি পাঠকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য।পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন আমদের ফেসবুক ফ্যানপেজে।

মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত কী?

মাসিক চলাকালীন সময়ে অধিক রক্তপাত হলে তাকে মেনোরেজিয়া (Menorrhagia) বলে। মেনোপজের পূর্বাবস্থায় সাধারণত এই সমস্যা (problem) বেশি দেখা যায়, তবে বেশীর ভাগ মহিলাই এই সমস্যার (problem) সম্মুখীন হয় না। আবার অধিক রক্তপাতের কারণে খিঁচুনি হয় এবং অনেকের মনে এটি ভীতির সৃষ্টি করে ও দৈনন্দিন কাজ করতে অসুবিধা হয়।। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।

সমস্যাটির (problem) কারণ কী?

শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন কারণে মাসিকের (period) সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে। যেমন-

হরমোনাল ইমব্যালান্স বা হরমোন জনিত সমস্যা (problem) দেখা দিলে।

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড বা ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয় না এমন টিউমার থাকলে।

ঘন ঘন গর্ভের সন্তান (baby) গর্ভে থাকা অবস্থায় মারা গেলে।

এমন খাবার গ্রহণ করলে যেগুলো রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে দেয়।

পেল্ভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ অর্থাৎ জরায়ু এবং ডিম্বনালীতে জীবাণুর সংক্রমণ হলে।

অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দিলে।

ভ্যাজাইনাল সিস্ট বা জননাঙ্গে সিস্ট দেখা দিলে।

ইউটেরিন, ওভারিয়ান বা সারভাইকাল ক্যান্সার হলে।

যকৃত, কিডনি বা থাইরয়েড ডিজিজ থাকলেও এধরণের সমস্যা (problem) দেখা দিতে পারে।

মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাতের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপুর্ণ বিষযগুলো কী?

বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরে হরমোন নিঃসরণ ক্রিয়া বিশেষভাবে পরিবর্তিত হয়। এই সময়ে ডিম্বাশয় বা ওভারি শুকিয়ে যায়, তাই ওভাম অর্থাৎ ডিম্বানু সৃষ্টি হয় না। ফলে ওভারি থেকে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় না। ডিম্বাণু উৎপাদন বা পরিস্ফুটন ছাড়াই যাদের মধ্যে এই সমস্যা দেখা যায় তারা হলো- মেয়েদের প্রথমবার মাসিক হওয়ার পরের এক বছর পর্যন্ত এই সমস্যা (problem) হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মেনোপজ হওয়ার পূর্ববর্তী সময়ে মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা (problem) দেখা যাওয়ার ঝুঁকি বেশি।

আরো পড়ুন  মাসিকের ১০ দিন পর মিলন করলে বাচ্চা হবে কি?

মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া থেকে মুক্তির উপায় কী?

নিম্নলিখিত পন্থা অবলম্বন করে এই লক্ষণ প্রতিরোধ করা সম্ভব-

মাসিকের (period) সময় অধিক রক্তপাত হলে ক্লান্তিবোধ হয়। তাই এই সময়ে প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে। বেশি নড়াচড়া ও ভারী কোনো কাজ করা যাবে না।
রাতে কমপক্ষে আট ঘন্টা ঘুমান।

ঠাণ্ডা পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে তা তলপেটে কিছুক্ষণ ধরে রেখে শুয়ে থাকুন।

কলার মোচা রান্না করে তা টক দই এর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

২০ গ্রাম ধনে ২ কাপ পানিতে সিদ্ধ করতে হবে। পানি শুকিয়ে ১/২ কাপ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর এই মিশ্রণটিকে ঠাণ্ডা করে খেয়ে নিন।

নিয়মিত আলু, গুড়, কুমড়ার বীজ খেলে এই সমস্যা (problem) কমে আসবে।

যৌন’মিলনে গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী প্রেগন্যান্ট হলে ৫ মিনিটে বাচ্চা নষ্ট করার ঔষধের নাম
বাচ্চা নষ্ট করা ওষুধের নাম কি? প্রতিদিনই ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে

আজকের প্রশ্নঃ আমার বয়স ১৯ মাসিক (period) অনিয়মিত।১ নভেম্বর আমার মাসিক (period) হয়েছিল এরপর ২৬ তারিখের পর থেকে আমাদের মিলন হয়।আমরা কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করিনি।মাসিক (period) না হওয়ায় আজ ১৭ডিসেম্বর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করাই এবং আমি প্রেগন্যান্ট এটা শিওর হই।আমার প্রেগন্যান্সির এখনো ১ মাস হয়নি এক্ষেত্রে বাচ্চা নষ্ট করতে হলে করনীয় কী?
আমার সমস্যার সমাধান পেলে খুবই উপকৃত হবো।

উত্তরঃসাধারণভাবে বাচ্চা নষ্ট না করার পরামর্শ ডাক্তারমাত্রেই দিয়ে থাকেন | প্রথম গর্ভাবস্থায় ইউটেরাস বা জরায়ুর মুখ এত নরম ও সরু থাকে যে, যন্ত্রপাতি দিয়ে তা প্রসারিত করার সময় জরায়ু মুখ বা জরায়ুর পশি ছিঁড়ে গিয়ে রক্তস্রাব, প্রদাহ হতে পারে | স্বামী বললেও মেয়েদের বাবা মা বা অন্য সিনিয়র অভিভাবকদের না জানিয়ে কখনই এই সময়ে গর্ভমোচনে রাজি হওয়া উচিত নয় | এছাড়া কোনওভাবে ফ্যালোপাইন টিউবে সংক্রমণ হলে পরে টিউব ব্লক হয়ে ভবিষ্যতে সন্তান নাও হতে পারে |

আরো পড়ুন  কখন গোসল করা ফরজ, কীভাবে করতে হয়

তবে অবিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে সবদিক বিবেচনা করে গর্ভমোচন করতেই হবে | আর তা অবশ্যই উপযুক্ত শিক্ষিত ডাক্তারের কাছে | হাতুড়ে বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয় এমন ডাক্তারের কাছে গেলে ফুল বা ভ্রূণের অংশ জরায়ুর মধ্যে থেকে যেতে পারে, জরায়ুর মুখ ছিঁড়ে যেতে পারে, জীবাণুর আক্রমণ বা সেপটিক হয়ে পেরিটোনাইটিস হতে পারে,আভ্যন্তরীণ রক্তস্রাবের কারণে মায়ের কোলাপস ও শক হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে | দেশ পাড়াগাঁয়ে আজ এই অত্যাধুনিক যুগেও অনেক মেয়ে গুণিন বা ওই জাতীয় পেশার লোকেদের কাছে (জরায়ুতে শিকড় বা কাঠি ঢুকিয়ে গর্ভমোচনের চেষ্টা) গিয়ে শেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে |

বাচ্চা নষ্ট করার সব পদ্ধতিতেই এক ধরণের লম্বা নল জরায়ুতে ঢুকিয়ে গর্ভের শিশুটিকে প্রথমে ক্ষত-বিক্ষত করা হয়। পরে ভ্যাকুয়াম সাকারের মাধ্যমে শিশুটিকে শুষে আনা হয়। গর্ভপাতের সময়কার শিশুটির অব্যাক্ত বেদনা কারো কানে পৌঁছে না। মানুষ নামের নরপশুর নির্মমতায় একটি নিষ্পাপ শিশু মৃত মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়। যেসব মা ক্ষণিকের সুখের জন্য নিজ গর্ভের সন্তানকে হত্যা করে তাদের জন্য হৃদয় উগড়ে দেয়া সীমাহীন ঘৃণা।

Abortion জিনিস টা কি??? নিচে একটু পড়ে দেখুন হৃদয়হীন মানুষের হৃদয়েও কমপনের সৃষ্টি হবে।। …

লেখাটা লিখতে গিয়ে কতবার যে হাত কেপেছে পড়ে দেখুন….,
নিজের বিবেকে নাড়া দেয় কিনা !!??

প্রথম মাস –
হ্যালো আম্মু…..!! কেমন আছো তুমি? জানো আমিএখন মাত্র ৩-৪ইঞ্চি লম্বা!! কিন্তু হাত-পা সবই আছে তোমার কথা শুনতে পাই, ভালো লাগে শুনতে।

দ্বিতীয় মাস –
আম্মু, আমি হাতের বুড়ো আঙ্গুল চুষা শিখেছি, তুমি আমাকে দেখলে এখন বেবি বলবে! বাইরে আসার সময় এখনো হয়নি আমার, এখানেই উষ্ণ অনুভব করি খুব।

তৃতীয় মাস –
আম্মু তুমি কি জানো আমি যে একটা মেয়ে? পরী পরী লাগবে আমাকে, আমাকে দেখলে তুমি অনেক খুশি হবে, তুমি মাঝে মাঝে কাঁদো কেনো আম্মু ammu? তুমি কাঁদলে আমারও কান্না পায়…

চতুর্থ মাস –
আমার মাথায় ছোট্ট ছোট্ট চুল গজিয়েছে আম্মু mother আমি হাত-পা ভালো ভাবে নাড়াতে পারি, মাথা নাড়াতে পারি, অনেক কিছুই করতে পারি।

আরো পড়ুন  রমযান মাসে সহবাস করা যাবে কি না?

পঞ্চম মাস –
আম্মু তুমি ডক্টরের doctor কাছে কেনো গিয়েছিলে? কি বলেছে ডক্টর? আমি তার কথা শুনতে পারিনি, তোমার কথা ছাড়া আমি কারো কথা শুনতে পারিনা।

ষষ্ঠ মাস –
আম্মু আমি অনেক ব্যথা (pain) পাচ্ছি আম্মু, ডক্টর সুঁচের মতো কি যেনো আমার শরীরে ঢুকাচ্ছে, ওদের থামতে বলো আম্মু আমি তোমাকে ছেড়ে কথাও যাবোনা আম্মু…

সপ্তম মাস –
আম্মু কেমন আছো? আমি এখন স্বর্গে আছি, একটা এন্জেল আমাকে নিয়ে এসেছে, এন্জেল বলেছে তোমাকে Abortion করতে হয়েছে, তুমি আমাকে কেনো চাওনি আম্মু?

প্রতিটি Abortion মানে একটি হৃদস্পন্দন থেমে যাওয়া… একটি হাসি থেমে যাওয়া… দুটি হাত, যা কখনো কাউকে স্পর্শ করতে পারবেনা… দুটি চোখ, যা পৃথিবীর আলো দেখবেনা…
আল্লাহ কে ভয় করুন।

শারীরিক মিলন এর পর আপনার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী প্রেগন্যান্ট হয়ে গেলে ৫ মিনিট এ টা নষ্ট করার ওষুধের নাম জেনে নিন এবং কিভাবে খাবেন?

চ্চা নষ্ট করার ট্যাবলেট শুধু কাজ করবে এক মাস এর প্রেগন্যান্ট এর মধ্যে
১। isobent 120mg ৩ টা একসাতে খেতে হবে। ইনস্ট্যান্ট মাসিক (period) আরম্ভ হয়ে যাবে । কোন ভই নাই।

আর নই গার্ল ফ্রেন্ড এর সাতে মিলন এর ভয় ।

২। আর এক মাস এর বেশি হয়ে গেলে isobent 120mg ৩ টা খেতে হবে র ২ টা যোনি এর মধ্যে ঢোকাই দিতে হবে ইনস্ট্যান্ট সমাধান।

বিঃদ্রঃ আপনার ডক্টরে পাঠকদের কৌতুহলরত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পাঠকদের কাছে বিনীত অনুরোধ দেহের চাহিদা মেটাতে গিয়ে বিপরীত লিঙ্গের মিলন দ্বারা তৃপ্ত রসের যোগে আসা ভ্রূণ নষ্ট করে দেবেন না। একটা কথা চিন্তা করে দেখুন বাচ্চা নষ্ট করা আদৌ কি উচিত? সদ্যজাত বাচ্চার কিন্তুে কোন দোষ নাই। একটু সতর্কতার সাথে যৌন মিলন বা সেক্স করবেন। আর বিশেস করে অবৈধ যৌন মিলন থেকে বিরত থাকুন। ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *