পেশীর ব্যথা দূর করতে সক্ষম এই ৫টি খাবার

শীতকালে ভারী কাজ, ব্যায়াম(Exercise) বা শুধুই ক্লান্তিকর একটি দিনের শেষে অনেকেই মাসল ক্র্যাম্প অর্থাৎ পেশীতে টান পড়ে ব্যথায় ভোগেন। শরীরের কিছু এলাকায় পেশীতে টান(Muscle tension) বেশি পড়তে দেখা যায়, যেমন হাত বা পা। কয়েক সেকেন্ড থেকে এক ঘন্টার মতো থাকতে পারে এই সমস্যাটি। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তা হলেও ছোট বাচ্চাদেরও পেশীতে টান পড়তে পারে। বিশেষ করে ঘুমের মাঝে হাঁটুর নিচের পেশীটিতে টান পড়ার অভিজ্ঞতা হয় অনেকেরই। এতে তেমন ক্ষতি না হলেও বেশ কিছুটা সময় হাত-পা নাড়ানো কষ্টকর হয়ে যায়।

পেশীতে টান পড়ার পেছনে বেশীরভাগ সময়েই দায়ী হলো বেঠিক খাদ্যভ্যাস(Eating habits)। কিছু কিছু খাবার নিয়মিত খেলে পেশী সুস্থ থাকে ও টান পড়া দূর হয়। বিশেষ করে এর জন্য পটাসিয়াম(Potassium) খুবই জরুরী। এছাড়া প্রোটিন খাওয়াও জরুরী। দেখে নিন পেশীর টান ও ব্যথা দূর করতে প্রয়োজনীয় ৫টি খাবার-

আরো পড়ুন  সকালে খালি পেটে ঘি খাওয়ার উপকারিতা জানেন কি?

১) পানি
পানিশূন্যতার কারণে পেশীতে টান(Muscle tension) পড়তে পারে। এ কারণে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। সারাদিনই পানি পান করতে থাকুন। এছাড়া ডাবের পানি ও শরবত পান করতে পারেন।

২) কলা
পটাসিয়ামের দারুণ একটি উৎস হলো কলা। তা শর্করা হজমে সাহায্য করে ও পেশী গঠনে কাজে আসে। এছাড়া পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতা বজায় রাখতে কলা কাজে আসে। পটাসিয়ামের পাশাপাশি কলায় ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম(Magnesium) থাকে যা মাসল ক্র্যাম্প দূর করে।

৩) মিষ্টি আলু
কলার মতোই মিষ্টি আলুতেও বেশি পরিমাণে থাকে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম(Calcium) ও ম্যাগনেসিয়াম। এমনকি কলার চেয়ে প্রায় ছয়গুণ বেশি ক্যালসিয়াম থাকে এতে। মিষ্টি আলুর পাশাপাশি সাধারণ আলু এবং মিষ্টিকুমড়াও খেতে পারেন এই উপকারীতা পেতে।

আরো পড়ুন  বাদাম কাঁচা না ভাজা কীভাবে খাবেন? না জানলে এখান থেকে জেনে নিন

৪) ডালজাতীয় শস্য
বিভিন্ন ধরণের ডাল ও সিমে থাকে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও ম্যাগনেসিয়াম। এছাড়া ছোলা ও সিমের বিচিতে থাকে বেশি পরিমাণে ফাইবার। এগুলো সাধারণ মাসল ক্র্যাম্পের পাশাপাশি পিরিয়ড ক্র্যাম্পের ব্যথাও কমায়।

৫) বাদাম
বিভিন ধরণের বাদাম পেশী স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, কারণ এগুলোতে থাকে উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন(Protein) ও ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়ামের অভাবেই সাধারণত পেশীর দুর্বলতা, ক্র্যাম্পস ও খিঁচুনি দেখা দেয়। তাই নিয়মিত বাদাম খেলে এ সমস্যাটি দূর হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *