বয়স চল্লিশ হলেও ২০বছরের মত যুবতী থাকার ঘরোয়া টিপস..

বয়স (age) চল্লিশ হলেও ২০বছরের মত যুবতী থাকার ঘরোয়া টিপস
সৌন্দর্য ধরে রাখতে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি থাকে না। কিন্তু সহজ কিছু দৈনন্দিন কাজ যেটি আপনার বয়সকে (age) মোটেই বাড়তে দেবে না। অর্থাৎ বয়স ঠিকই বাড়বে কিন্তু আপনাকে দেখে যেনো মনে হবে আপনি সেই ২০ বছরেই পরে আছেন। খুব বেশি কিছু করতে হবে প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে যোগ করবেন বাড়তি কয়েকটা টিপস (tips)। মনে রেখে টিপসগুলো মেনে চলুন আর সৌন্দর্য ধরে রাখুন।

১. যৌবন ধরে রাখার মূল মন্ত্রই হল সুস্থ, নির্মেদ শরীর। আর এজন্য হাঁটার কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা করে হাঁটুন। মোবাইলে গান শুনতে শুনতে হাঁটা নয়, ঘড়ি ধরে একেবারে ব্রিস্ক ওয়াকিং। ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে, হার্ট ভালো থাকবে। নিয়ন্ত্রণে থাকবে হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, প্রেসারের মতো সমস্যা। ফলে আপনাকেও লাগবে ঝরঝরে।

২. প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তত একটা করে মৌসুমী ফল রাখুন। তবে রোজ যদি আম, কলা, আনারস, কাঁঠাল খেতে থাকেন, তাহলে ওজন (weight) বেড়ে আপনাকে বয়সের (age) থেকে আরও দশ বছর বেশি বয়স্ক (age) লাগবে। তাছাড়া ফল পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ফলে থাকা ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর আপনাকে রাখে তরতাজা।

৩. দৈনন্দিন ডায়েট থেকে সবুজ শাকসব্জি বাদ দিলে কিন্তু চলবে না। সবজি খেলে মানসিক উন্নতিসহ শারীরিক উন্নতিও হয়। মানুষ আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মোটের উপর সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪. ওজন (weight) কমাতে গিয়ে বা স্রেফ ইচ্ছে করছে না বলে ব্রেকফাস্ট কখনওই বাদ দেবেন না। তাহলে কিন্তু শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেমের গোলমাল হয়ে বেশি করে খিদে পেতে থাকে। আর বারে বারে খেতে খেতে আখেড়ে আমরা নিজের ক্ষতিই ডেকে আনি।

৫. যৌবন ধরে রাখতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। চকোলেট, পেস্ট্রি, ব্রাউনি, আইসক্রিমের মতো খাবারে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থাকে যা শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এগুলো যতটা সম্ভব কম খান। তাই বলে ডায়েট থেকে চিনি পুরোপুরি ছেঁটে ফেলবেন না। অল্প হলেও নিয়মিত খান। তাহলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক থাকবে। শরীর-মন জুড়ে স্বতস্ফূর্ততার অনুভূতি থাকবে।

৬. শরীরের অতিরিক্ত ওজন (weight) ঝরিয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত ওজন (weight) খুব দ্রুত মানুষকে বুড়িয়ে দেয়। এমনকী কমিয়ে দেয় আত্মবিশ্বাসও। নিয়মিত ব্যায়াম ও খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অতিরিক্ত ওজন (weight) কমিয়ে ফেললে যৌবন ধরে রাখা সম্ভব। তা বলে একেবারে খাওয়া বন্ধ করেল কিন্তু হিতে বিপরীত হবে। শরীরের যাবতীয় গ্ল্যামার শেষ হয়ে, আপনার চেহারায় নেমে আসবে অকাল বার্ধক্য।

আরো পড়ুন  শিমের বীজ খেলেই হতে পারে মৃত্যু

৭. সুস্থ দীর্ঘ জীবন পেতে এবং যৌবন ধরে রাখতে সকালে খানিকক্ষণ সূর্যালোকে থাকুন। সূর্যের আলোতে আছে ভিটামিন ডি যা হাড়কে মজবুত করে। এবং সঙ্গে মানসিক চাপ ও অবসন্নতাও কমিয়ে দেয়।

প্রশ্নঃ আমার প্রিয়ডের ডেট ১৯-২১। আমি নভেম্বরের ৮ তারিখে মিলন করি কোনরকম প্রোটেকশন ছাড়াই…
প্রতিদিনই আমাদের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে।সময়মত সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি পাঠকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য।পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন আমদের ফেসবুক ফ্যানপেজে।

আজকের প্রশ্নঃ আমার প্রিয়ডের ডেট ১৯-২১। আমি নভেম্বরের ৮ তারিখে সেক্স করি কোনরকম প্রোটেকশন ছাড়াই। পরে ৭২ ঘন্টার ইমার্জেন্সি পিল ‘নো রিস্ক’ খাই। ঐ মাসের ১৬ তারিখ মার মাসিক (period) শুরু হয় কিন্তু একদিন পর বন্ধ হয়ে যায়। এখন ডিসেম্বর মাসের ২১ তারিখ কিন্তু এখনও আমার মাসিক (period) হচ্ছে না। এ অবস্থায় আমার করণীয় কী?

উত্তরঃ আগে জানুন কখন খাবেন ইমার্জেন্সি পিল

অরক্ষিত সহবাসের (physical relation) পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জন্মনিরোধক ব্যবহার করতে হবে। তবে সহবাসের (physical relation) ১২০ ঘন্টার পরে নয় এবং নিন্ম লিখিত কারনে ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক ব্যবহার করা বাঞ্চনীয়

– সহবাসের (physical relation) সময় আপনি বা আপনার সঙ্গী যদি কোন জন্মনিরোধক পদ্ধিতি ব্যবহার না করে

– যদি আপনি পরপর ৫ দিন জন্মনিরোধক বড়ি (pill) খেতে ভুলে যান (এ ক্ষেত্রে আপনি জন্মনিরোধক বড়ি (pill) তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট পড়ুন)

– যদি সহবাসের (physical relation) সময় আপনার সঙ্গী কনডম সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে থাকেন, অথবা কনডম ফেটে গিয়ে থাকে

– যদি আপনি মনে করেন যে, আপনার জরায়ুতে অবস্থিত জন্মনিরোধক (আই, ইউ, ডি) স্থান্যচুত হয়েছে

– যদি আপনের যোনিতে অবস্থিত ডায়াফ্রোম অথবা জন্ম নিরোধক ক্যাপ সরানো হয়ে থাকে

– যদি আপনি মনে করেন যে, অকার্যকর হয়েছে এবং অনুসরন করাকালীন সময়ে যদি সহবাস (physical relation) করে থাকেন এবং ধর্ষণ জনিত অবস্থায়।

আরো পড়ুন  সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশের ৯টি পরামর্শ

5X ইমার্জেন্সি পিল মহিলাদের জন্য জরুরি গর্ভনিরোধক বড়ি (pill) যা অরক্ষিত যৌন মিলনের ৫ দিনের মধ্যে গ্রহণ করলে গর্ভধারন রোধ করা যায়। 5X ইমার্জেন্সি পিল নিয়মিত জন্ম নিয়ন্ত্রন বড়ি হিসাবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

প্রতিটি 5X ইমার্জেন্সি পিলে ১ বড়িতে (pill) সক্রিয় উপাদান হিসাবে রয়েছে ইউলিপ্রিস্টল এসিটেট আই এন এন ৩০ মি.গ্রা.

দুর্ঘটনার ৭২ ঘন্টার মাঝেই প্রথম ডোজ টেবলেট খেতে হয়। প্রথম ডোজ খাওয়ার ১২ ঘন্টা পরে দ্বিতীয় ডোজ টেবলেট খেতে হয়। যৌনসঙ্গম ও এই পিল খাওয়ার মাঝে সময়ের ব্যবধান যত বাড়বে এই বড়ির (pill) গর্ভসঞ্চার রোধ করার ক্ষমতাও ততই কমে যায়। এই পিল বা বড়িকে মর্নিং আফটার পিল-ও বলা হয়, যার মানে সঙ্গম রাতে হয়ে থাকলে সকালে উঠে প্রথমেই এই পিল খেতে হয়। তবে সকালের জন্য অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব এই বড়ি খাওয়াটাই শ্রেয়। আপনার মাসিকের (period) কত নম্বর দিন চলছে এবং সঙ্গমের কতক্ষণ পরে খাওয়া হয়েছে তার উপর নির্ভর করে ইমার্জেন্সি গর্ভনিরোধ বড়ি ডিম্বাণু নির্গমনে সামায়িক বাধা দিয়ে, কিংবা নিষেক প্রতিহত করে, এমনকি নিষেক হয়ে থাকলে জরায়ুতে নিষিক্ত ভ্রূণের স্থাপন প্রতিহত করে গর্ভসঞ্চার রোধ করে। তবে আবারও বলছি এই বড়ি (pill) কেবল ইমার্জেন্সি বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতেই ব্যবহার করা উচিৎ। নিয়মিত ইমার্জেন্সি পিল ব্যবহার করলে জননতন্ত্র ও শরীরের প্রভূত ক্ষতি সাধিত হয়।

গর্ভবতী কি না কীভাবে বুঝবেন?

গর্ভধারণ যে কোন নারীর জন্যেই নিঃসন্দেহে আনন্দদায়ক একটি বিষয়। নিজ দেহের ভেতরে একটি নতুন প্রাণের আগমণের শব্দ শুনতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু অনেক সময় কোন কোন নারী গর্ভধারণের বেশ কয়েক মাস বুঝেই উঠতে পারেন না যে তিনি গর্ভবতী কিনা। আর গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস অত্যন্ত সতর্কতার সাথে থাকা প্রয়োজন বাচ্চার নিরাপত্তার স্বার্থেই। তাই কোন নারী গর্ভবতী কিনা একটু সতর্ক হয়ে কয়েকটি লক্ষণ মিলিয়ে নিলেই কিন্তু তিনি ঘরে বসেই নিশ্চিত হতে পারেন। জেনে নিন সেই সহজ উপায়গুলো-

ক) প্রাথমিক যে উপায়

১) পিরিয়ড (period) কি নির্দিষ্ট সময়ে হয়েছে? প্রতিমাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নারীদের পিরিয়ড হয়ে থাকে (সাধারণত ২৮ দিন পর পর)। সেক্ষেত্রে, খেয়াল রাখুন আপনার পিরিয়ড ঠিক সময়ে হচ্ছে কিনা। যদি ২৮ দিন পর পিরিয়ড না হয়, তাহলে হয়তো আপনি গর্ভধারণ করেছেন। অন্যান্য লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিতে পারেন তখন। ২) সামান্য রক্তপাত পিরিয়ডের (period সময় যদি স্বাভাবিক রক্তপাতের বদলে খুব সামান্য পরিমাণ রক্তপাত হয়ে বন্ধ হয়ে যায়,এই চিহ্নটিকে অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে গর্ভধারণের লক্ষণ। ৩) মাথা ঘোরা, বমি ও হজমে সমস্যা (problem)সাধারণত সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি প্রচন্ড দূর্বল, মাথা ঘোরা ও বিষন্ন লাগে এবং সেই সাথে প্রায়ই হজমে সমস্যা (problem) বা কোষ্ঠকাঠিন্য্য দেখা দেয়। হতে পারে, আপনার গর্ভধারনের অন্যতম লক্ষণ এটি। ৪। ক্রমাগত ক্লান্তি যদি হঠাৎ করে সারাক্ষণ নিজেকে ক্লান্ত মনে হয় এবং সময়ে অসময়ে কেবল ঘুমোতে ইচ্ছে করে, যা আপনার স্বাভাবিক রুটিনের বাইরে, অন্যান্য লক্ষণগুলোর সাথে এই লক্ষণটি জানিয়ে দেয় আপনি হয়তো গর্ভধারণ করেছেন। ৫। বার বার প্রস্রাবের চাপ খেয়াল করুন, আপনি কি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশীবার, বার বার প্রস্রাবের চাপ অনুভব করছেন? গর্ভধারণের অন্যতম লক্ষণ এটি। ৬। স্তনে পরিবর্তন গর্ভধারণ করার ফলে আপনার স্তনের আকৃতি কিছুটা বৃদ্ধি পাবে ও নিপল গাঢ় রঙ ধারণ করেছে কিনা খেয়াল রাখুন।

আরো পড়ুন  ডিম খেয়ে মাত্র ১৪ দিনে ১০কেজি ওজন কমিয়ে ফেলার কৌশল

খ) নিশ্চিত হবার জন্যে

৭। প্রেগন্যান্সি স্ট্রিপ সাধারণত ঔষধের দোকানগুলোতেই প্রেগন্যন্সি (pregnancy) পরীক্ষার স্ট্রিপ পাওয়া যায়। প্রথম পিরিয়ডের (periodডেট মিস করার পরদিনই এটি দিয়ে টেস্ট করুন। সাধারণত সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম প্রস্রাবে স্ট্রিপটি ডুবিয়ে রেখে পরীক্ষাটি করা সম্ভব। বিস্তারিত নির্দেশনা প্যাকেটেই লেখা থাকে। সাধারনত প্রথম ১ মাসেই এটি ভালো নির্ণয়ের কাজ দেয়। আর এ থেকে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনি গর্ভধারণ করেছেন কিনা। তবে যদি ফলাফল নেগেটিভ হয় আর সেই সাথে আপনার পিরিয়ড (period বন্ধ থাকে, তাহলে কিছুদিন পর আবারো পরীক্ষা করুন। সবশেষে, আপনি যদি গর্ভধারণ করে থাকেন, তাহলে দেরী না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন সামনের দিনগুলোর জন্যে। আপনার ও আপনার অনাগত সন্তানের সুরক্ষার জন্যে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন। সুস্থ থাকুন।

সর্বশেষ এই বিষয়টা খেয়াল রাখবেন যে বীর্য ভিতরে না গেলে গর্ভবতী হবেন না। আর আগে পরে মাসিক (period) অনিয়মিত হয়েছে কিনা তা বলেন নি। তবে অনেক সময় মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *