রাতে বিছানায় সঙ্গীনির সাথে যে ১০ টা মারাত্বক ভুল করে থাকেন

রাতে বিছানায় সঙ্গীনির সাথে যে ১০টি মারাত্বক ভুল করে থাকেন!
নারীর জন্য কাঙ্খিত ভালোবাসার পুরুষরা (men) সহবাস (physical relation) নিয়ে প্রবল আগ্রহ থাকার পরেও বিছানায় গিয়ে তারা ব্যর্থতার পরিচয় দেন সামান্য কিছু অসতর্কতার কারণে। শয্যায় বেশকিছু ভুল তারা করেই থাকেন। সেই ভুলগুলি শুধরাতে পারলে আরো বেশি উপভোগ্য (enjoy) হতে পারে সহবাস (physical relation) জীবন। একনজরে জেনে নেয়া যাক সে ভুলগুলো…

চুপচাপ থাকা : বেশিরভাগ পুরুষই (men)বিছানায় সেক্স করার পুরো সময়টাতে চুপ করে থাকেন। এটা বড় ধরণের একটা ভুল। এক্ষেত্রে নিজের আবেগ বোঝাতে অহেতুক শব্দ করার প্রয়োজন নেই; কিন্তুমুখে কুলুপ এঁটে সঙ্গিনীকে নিয়ে মোটেও উত্তেজনার শীর্ষে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

তাড়াহুড়ো করা : বিছানায় রতিক্রিয়ার সময় পুরুষের (men)এ কথাটি বেশি মনে রাখতে হবে… সবুরেই মেওয়া ফলে। কিন্তু অনেক সময় মিলনের সময় পুরুষের দেরি সহ্য হয় না। খুব তাড়াহুড়ো করে রতিক্রিয়া শেষ করতে চান তারা। এটা আপনি বা আপনার সঙ্গিনীকে মোটেও সহবাসে(physical relation) সুখ দিতে পারবে না। তাই সময় নিয়ে পুরো সময়টাকে উপভোগ (enjoy) করুন।

নিজের শক্তি দেখানো : রতিক্রিয়ার শেষ দিকে বীর্যপাতের মুহুর্তে পুরুষরা (men)অনেক সময়ই সঙ্গিনীকে অতিরিক্ত চাপ দেন। এটা মোটেও ঠিক নয়। নারীর শরীর পুরষদের তুলনায়কমনীয়। তাই নিজের শরীরের জোর সঙ্গিনীর উপর খাটাবেন না।

ওরাল সহবাসে বাধ্য করা : পর্ণ ছবির মতো বাস্তব জীবনে শৃঙ্গার করতে গেলে বিপদের সম্ভাবনা থাকে। তাই রতিক্রিয়ার সময় কোনো পুরুষেরই (men)উচিত নয় পার্টনারকে ওরাল সহবাসে (physical relation) বাধ্য করা। সঙ্গিনীর ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দিন।

আরো পড়ুন  নারীরা যেকোন পুরুষকে পাগল করে দিতে পারে,জেনেনিন ১৪ টি সহজ উপায়

সহবাসে (physical relation) প্রবেশে সাবধানতা : অনেক সময় প্রবল উত্তেজনার কারণে হুট করেই পুরুষরা (men) নারীর গোপনাঙ্গে লিঙ্গ প্রবেশ করান। এর ফলে সঙ্গিনীর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে নারীর গোপনাঙ্গের পেশি নরম হয়। তাই সেখানে জোর প্রয়োগ না করে সাবধানতা অবলম্বন করা।

সঙ্গিনীর ইচ্ছেকে প্রাধান্য না দেওয়া : পুরুষের চেয়ে নারীর আবেগ-অনুভূতিগুলো প্রকাশ পেতে বেশি সময় লাগে। তাই পার্টনারের ইচ্ছেকে গুরুত্ব দিয়ে অপেক্ষায় থাকুন। তিনি অনুমতি দিলে তবেই রতিক্রিয়া বন্ধ করুন। এতে করে তিনি আপনাকে সুখের চূড়ায় পৌঁছতে সাহায্য করবেন।

সঙ্গিনীর প্রতিক্রিয়া উপলব্ধি : কোনো সময় নিজের ইচ্ছেমতো সেক্স করা ঠিক নয়। সঙ্গিনীর প্রতিক্রিয়াটাকে উপলব্ধি করে প্রতিটি পুরুষেরই (men)রতিক্রিয়া চালানো উচিত। সঙ্গিনীর সম্মতি নিয়ে সেক্স করলে আপনার প্রতি তার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

পুরো শরীরে আদর না করা: অনেক পুরুষেরই (men) ভুল ধারণা থাকে যে, নারীর শরীরের দু’এক স্থানে বেশি সহবাসে (physical relation) অনুভূতি থাকে। তাই তারা ওই নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে বেশি আদর করে থাকেন। এর ফলে সঙ্গিনী আপনার প্রতি বিরক্ত হতে পারে। তাই পুরো সময়টাকে উপভোগ্য (enjoy) করতে তার গোটা শরীরে আদর করুন।

স্থান ত্যাগ করা : অনেক সময় বীর্যপাত হলেই পুরুষরা (men)স্থান ত্যাগ করতে চান। কিন্তু মনে রাখতে হবে আপনার সঙ্গিনীর ক্ষেত্রে এটা দেরিতে হতেই পারে। তাই অপেক্ষা করে তার সম্মতিনিয়েই তবেই সেক্সেও স্থান ত্যাগ করুন।

আরো পড়ুন  যা খেলে ৭০ বছরেও বুড়া হবেন না, ১০ নাম্বারটা সবসময় খাবেনযা খেলে জীবনেও বুড়া হবেন না

পায়ুপথে সহবাস (physical relation) করা : নীল ছবির নস্টামী দেখে কখনো সঙ্গিনীর পায়ুপথে সেক্স করা ঠিক নয়। বৈজ্ঞানীকভাবে এর অনেক ক্ষতিকারক দিক রয়েছে।পায়ুপথে অনেক ধরণের জীবানু থাকে যাআপনার লিঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া পরবর্তী মিলনের সময় সঙ্গিনীর গোপনাঙ্গে প্রবেশ করে তা ইনফেকশন হতে পারে।

সহবাসের সময় কীভাবে স্বামীকে সর্বোচ্চ যৌন সুখ দিবেন! দেখে নিন!
দাম্পত্য জীবনে সুখ-দুঃখ সমানভাবে ভাগ করে নেয়ার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ নিহিত। সংসার করতে গেলে স্বামী-স্ত্রীর (wife) পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি শ্রদ্ধাবোধ ও আস্থা থাকাটা অপরিহার্য। স্ত্রী (wife) কিভাবে স্বামীর সুসময়-দুঃসময়ে পাশে থাকতে পারেন ও তার কি করণীয় সে সম্পর্কে এখানে ৫টি টিপস দেয়া হলো:

১) মন ভালো করতে চকলেট বার: পুরুষরা (male)  নিজেদের আবেগকে লুকানোর ক্ষেত্রে বেশ পারদর্শী। আপনার স্বামী যদি কোন কারণে খুব বেশি হতাশাগ্রস্ত হন বা হালকা কান্নাকাটি করেন, আপনি হয়তো তা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারবেন না। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। এ সময়টা স্বামীকে সঙ্গ দিন, তার পাশে থাকুন। যদি ডায়াবেটিসের সমস্যা না থাকে, তবে একটি চকলেট বার আপনার স্বামীর খারাপ মুডটাকে ভালো করে দিতে পারে। চকলেট যে মুড ভালো রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে, তাতো এরই মধ্যে গবেষকরা প্রমাণ করেছেন। ভালো ব্র্যান্ডের চকলেট মাঝে-মধ্যে একটু-আধটু খাওয়া যেতে পারে।

২) পুরুষরাও (male) একটু অন্তরঙ্গতা চায়: পুরুষরাও চান তার স্ত্রী (wife) তাকে কিছুটা একান্ত সময় উপহার দেবেন। সেটা হতে পারে হাত ধরে পাশাপাশি কিছুক্ষণ বসে মনের কথাগুলো শেয়ার করা বা আরও বেশি অন্তরঙ্গতা।

আরো পড়ুন  মোটা নারীদের স্বামীরা সবচেয়ে সুখী, বলছে গবেষণা

৩) আবদারের মাত্রায় রাশ টানুন: স্বামীর কাছ থেকে যতোটুকু আশা করতে পারেন, তার বেশি না করাটাই সমীচীন। বহু আবদার থাকতেই পারে। তাই বলে সবসময় তাকে আপনার মনের কথাটা বুঝতে হবে, আপনাকে খুশি করার জন্য নতুন নতুন সারপ্রাইজ দিতে হবে এ ধরনের আবদার মাত্রাতিরিক্ততার পর্যায়ে পড়ে। স্বামীকে বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার আবেগ, অনুভূতি বা মেজাজে পরিবর্তন এলেই স্বামী তা ধরতে পারবেন, এমনটা মনে করা উচিত নয়। তাই সহধর্মীনির পাশাপাশি উত্তম সহযোগী হয়ে ওঠাটাও বাঞ্ছণীয়।

৪) পুরুষরাও (male) রোমান্স ভালোবাসেন: স্বামীরা হয়তো অনেক সময় বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারেন। কিন্তু, তারাও আসলে রোমান্স পছন্দ করেন। সমুদ্র সৈকতে একসঙ্গে হাত ধরে হাঁটা, রেস্টুরেন্টে ক্যান্ডেল-লাইট ডিনার, ঘরে একান্তে মন খুলে গল্প করা, একসঙ্গে সিনেমা দেখতে যাওয়া- এ বিষয়গুলো কিন্তু পুরুষরাও (male) ভালোবাসেন। আর আপনি যদি আপনার স্বামীকে খুশি করতে নিজে থেকে চিন্তা করে তাকে কোন সারপ্রাইজ দেন, তাতে নিঃসন্দেহে তিনি ভীষণ খুশি হবেন। সেটা তিনি মুখে যদি নাও বলেন, অভিব্যক্তিতে স্পষ্ট তা ফুটে উঠবে।

৫) নিজেও দায়িত্ব নিন: নিজের বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে মাঝে-মধ্যে ঘরোয়া সিদ্ধান্তগুলো নিন। তাতে আপনার স্বামীর ওপর মানসিক চাপটা কমবে। স্বামীর পাশে থাকার অর্থ, তার সুখ-দুঃখকে সমানভাবে ভাগ করে নেয়া। তিনি কোন সমস্যায় পড়লে বা কঠিন সময় অতিক্রম করলে, অন্তত বুদ্ধি দিয়ে তাকে সহযোগিতা করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *