পেট কমাতে কী করতে হবে?

‘মেদ (fat) ভুঁড়ি কি করি’ সমস্যায় অনেকেই ফেঁসে গিয়েছেন। আর সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অবলম্বন করছেন বিভিন্ন পদ্ধতি। মেদ ভুঁড়ি নিয়ে যারা মহা বিপদে আছেন তারা খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারবেন এই সমস্যা থেকে। এমনকি মাত্র ৭ দিনেও বেশ কিছুটা কমানো সম্ভব পেটের মেদ। আজ রইলো সেরকমই একটি ডায়েট চার্ট। সেই সাথে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরামর্শও।

মেদ ভুঁড়ি কি করি’ সমস্যায় অনেকেই ফেঁসে গিয়েছেন। আর সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অবলম্বন করছেন বিভিন্ন পদ্ধতি। মেদ (fat) ভুঁড়ি নিয়ে যারা মহা বিপদে আছেন তারা খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারবেন এই সমস্যা থেকে। এমনকি মাত্র ৭ দিনেও বেশ কিছুটা কমানো সম্ভব পেটের মেদ। যেসব খাবার শরীরের মেদ (fat) বাড়ায় যেমন অ্যালকোহল, চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে মাছ, মুরগী ও সবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চিনি শরীরকে মেদ বহুল করে তোলে এবং তলপেট, উরু, নিতম্বে মেদ জমে যায়। তাই খাবার গ্রহণের সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

আরো পড়ুন  যেভাবে সহবাস করলে মেয়েরা বেশি তৃপ্তি পায়

আসুন জেনে নেয়া যাক ওজন কমানোর ডায়েট প্ল্যান।

ক্যাফেইন, চিনি, অ্যালকোহল ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। এসব খাবার শরীরে সহজেই মেদ (fat) জমিয়ে দেয়।
খাবার তালিকা থেকে নিজের প্রিয় খাবার গুলো বাদ না দিয়ে সপ্তাহে এক দিন খান। সপ্তাহে একদিন কেক কিংবা চকলেট খেলে পুরো সপ্তাহ ডায়েটের বিরক্তি ও একঘেয়েমি কেটে যাবে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে মেটাবলিজম।

মেদ কমাতে মাছের তেল খান। মাছের তেল অতিরিক্ত মেদ(fat) ঝরিয়ে ফেলে এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড সরবরাহ করে।
নিয়মিত সকালের নাস্তা করুন। ঘুম থেকে ওঠার ১ ঘন্টার মধ্যেই সকালের নাস্তা সেরে ফেলুন। যদি সকালে নাস্তা করার একেবারেই সময় না পান, তাহলেও কিছু ফল ও বাদাম অথবা একটি ডিম সেদ্ধ খেয়ে নিন।
রাত ৮ টার পড়ে ভারী খাবার খাবেন না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৪ ঘন্টা আগে ভারী খাবার খেয়ে নেয়া ভালো। রাতে খেয়েই ঘুমিয়ে পড়লে হজমে সমস্যা হয় এবং মেদ(fat) বাড়ে।

আরো পড়ুন  মাথাব্যথা হলে এই টিপসটি শিখে রাখুন মাত্র ৬০ সেকেন্ডে দূর হবে মাথাব্যথা

ওজন কমাতে ৭ দিনের ডায়েট প্ল্যান

১ম দিন: কলা (banana) ছাড়া যে কোনো ফল যত ইচ্ছা খান। সব ধরণের খাবার বাদ দিয়ে প্রথম দিন শুধু ফল খেতে হবে। ২য় দিন: দ্বিতীয় দিন খাবেন শাক সবজি। আলু ছাড়া যে কোনো শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খান। তবে তেল দিয়ে রান্না না করে সালাদ অথবা সেদ্ধ করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। তেল যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। ৩য় দিন: তৃতীয় দিন কলা (banana) খাবেন না। কলা (banana)ছাড়া যে কোনো ফল ও শাক সবজি ইচ্ছে তত খেতে পারেন। তবে অন্য কোনো খাবার খাওয়া যাবেনা। ৪র্থ দিন: চতুর্থ দিন হলো কলা (banana)খাওয়ার দিন। এই দিন আপনি ৮টি মাঝারি আকারের কলা ও তিন গ্লাস(২০০মিলি) দুধ খাবেন। তবে অন্য কিছু খাওয়া যাবে না। ৫ম দিন: পঞ্চম দিন মাংস খেতে পারবেন। অল্প পরিমাণে মুরগীর মাংস খান এবং ৬টি টমেটো খান। ৬ষ্ঠ দিন: ষষ্ঠ দিন ইচ্ছে মতো মুরগীর মাংস খান এবং আলু বাদে অন্যান্য শাকসবজি খান। ৭ম দিন: ডায়েটের শেষ দিন অর্থাৎ সপ্তম দিন বাদামি চাল, চর্বি ছাড়া মাংস, ফলের রস এবং সব রকমের শাক-সবজি গ্রহন করুন।
কিছু সাবধানতা

আরো পড়ুন  করোনায় পুরুষরা বেশি মারা যাচ্ছেন কেন? কারণটা বিস্তারিত জানুন

মাসে একবারের বেশি এই ডায়েট চার্ট অনুসরণ করা উচিত নয়।
অন্য কোনো অসুখ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে ডায়েট অনুসরণ করবেন না।
ডায়েটের পাশাপাশি সারাদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
ওজনের আধিক্যের ওপরে ভিত্তি করবে ওজন কমার বিষয়টি। যার ওজন অধিক, তার ক্ষেত্রে কমবেও অধিক। তবে কমপক্ষে ৩ পাউনড হতে ১০ পাউনড পর্যন্ত কমে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *